শ্যামনগরে ১০ গুণীজন ও ৫ সাংবাদিক পেলেন সম্মাননা
- আপডেট সময় : ১২:২৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১০ জন গুণী ব্যক্তি ও পাঁচজন সাংবাদিককে সম্মাননা জানানো হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে ‘গুণীজনের আলোয় আলোকিত হোক সমাজ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত ‘নক্ষত্রের অভিবাদন’ অনুষ্ঠানে তাদের এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ, জনসেবা, কৃষি, ক্রীড়া, সংগীত ও সমাজসেবাসহ নানা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া মেধা ও মননের স্বাক্ষর রাখা বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীকেও বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে। আবার উচ্চশিক্ষা শেষ করেও চাকরি না পেয়ে গ্রামে গ্রামে শাঁখা বিক্রি করা এক ব্যক্তি পরবর্তী সময়ে সবজি চাষে সাফল্য এনে অন্য কৃষকদের পথ দেখিয়েছেন। এমন কীর্তিমান মানুষদের সম্মাননা জানাতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নক্ষত্রের অভিবাদন’।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত পাঁচ সাংবাদিকের মধ্যে বছরের সেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের স্বীকৃতি পেয়েছেন এই এলাকার সাংবাদিক জি এম মনিরুজ্জামান (মিশুক)। এছাড়া সাংবাদিকতায় মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে আনোয়ার হোসেন মল্লিককে। এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর থানার ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা নায়েবে আমির সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি এবং সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ লিয়াকত আলী বাবু।
সংবর্ধনা পাওয়া গুণীজনদের মধ্যে রয়েছেন ১৯৫৫ সাল থেকে শিক্ষকতায় যুক্ত থাকা কেরামত উল্লাহ, শিক্ষায় অবদান রাখা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক স্বপন কুমার মুখার্জি এবং সম্মুখযুদ্ধে পায়ে গুলিবিদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম মিজানুর রহমান। এছাড়া কৃষিতে সাফল্য দেখানো মনোতোষ মণ্ডল, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা আলহাজ আরশাদ আলী মোড়ল, সমাজসেবক আলহাজ আবুল কালাম বাবলা এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে এস এম ফিরোজ হোসেনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। জনসেবায় বাবু বিশ্বনাথ দাস এবং সংগীতে গীতিকার ও সুরকার অনিমেষ ব্যানার্জিকেও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়। একজন শিক্ষক ১৯৫৫ সাল থেকে শিক্ষকতা করেছেন এবং লিখেছেন নিজের এলাকার ইতিহাস।
অনুষ্ঠানে বিশেষ সংবর্ধনা পান হাফেজ আব্দুল আলী, যিনি ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ আশরাফিয়া দাওরা হাদিস মাদ্রাসায় অর্ধশতাব্দী ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ ও মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসক জিহাদ আলীকেও সম্মাননা জানানো হয়। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সাহসিকতার গল্পে মুখর এই ব্যক্তিদের অর্জনের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজনটি স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
















