সাড়ে ১২ হাজার বছর পুর্বের বিলুপ্ত প্রাণি 'ডায়ার উল্‌ফ' পৃথিবীতে আনলো কলোসাল বায়োসায়েন্সেস : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সাড়ে ১২ হাজার বছর পুর্বের বিলুপ্ত প্রাণি 'ডায়ার উল্‌ফ' পৃথিবীতে আনলো কলোসাল বায়োসায়েন্সেস : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিরলের বুনিয়াদপুর সিনিয়র মাদরাসা এর নবনির্মিত ৪ তলা একাডেমিক ভবনের শুভ উদ্বোধন কাউনিয়ায় প্রতিবন্ধী ভাতিজি ধর্ষণ মামলায় আপন জ্যাঠা গ্রেফতার কাউনিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণ মিছিল রাণীশংকৈলে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নতুন কমপ্লেক্স ভবনের শুভ উদ্বোধন নাগেশ্বরীতে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দো’য়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীর কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট হুমায়ুন করিম সিদ্দিক পুনরায় অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত কেলিশহরকে মাদক ও সন্রাস মুক্ত করতে ফের আলোচনায় জসিম উদ্দিন মাষ্টার  পটিয়ায় কলা চুরির প্রতিবাদে মুন্সি সমিতির নেতাকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনে হামলায় আহত ১

সাড়ে ১২ হাজার বছর পুর্বের বিলুপ্ত প্রাণি ‘ডায়ার উল্‌ফ’ পৃথিবীতে আনলো কলোসাল বায়োসায়েন্সেস

সৃষ্টি জানা অজানা ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫
সাড়ে ১২ হাজার বছর পুর্বের বিলুপ্ত প্রাণি 'ডায়ার উল্‌ফ'

 

 

সাড়ে ১২ হাজার বছর পুর্বের বিলুপ্ত প্রাণি ‘ডায়ার উল্‌ফ’ পৃথিবীতে আনলো কলোসাল বায়োসায়েন্সেস

 

জিন প্রযুক্তিবিদ্যা (জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং)-য় ভর করে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার পরে পৃথিবীতে ফিরে এল সেই ‘ডায়ার উল্‌ফ’। আদতে যা একটি বিশেষ প্রজাতির সাদা নেকড়ে। বিজ্ঞানসম্মত নাম, অ্যায়োনোসিয়ন ডায়রাস।

 

 

 

 

‘কলোসাল বায়োসায়েন্সেস’ নামক একটি বায়োটেক সংস্থার কর্তাদের দাবি, জিন প্রযুক্তিবিদ্যার সাহায্যে তাঁরা বিশ্বের প্রথম ‘ডি-এক্সটিঙ্কশন’ (বিলুপ্ত প্রাণী পুনরুদ্ধার)-এর কাজ সফল ভাবে সম্পন্ন করেছেন।

 

 

সফল ভাবে পরীক্ষাগারে তিনটি ডায়ার উলফের শাবকের জন্ম হয়েছে। ঠিক যেমনটা করেছিলেন হলিউডের ছবি ‘জুরাসিক পার্কে’ জিনপ্রযুক্তি সংস্থা ইনজ়েনের প্রতিষ্ঠাতা জন হ্যামন্ড (ভূমিকায়, অভিনেতা রিচার্ড অ্যাটনবরো) এবং তাঁর সঙ্গীরা।

 

 

‘কলোসাল বায়োসায়েন্সেস’ জানিয়েছে, তাদের বিজ্ঞানীরা প্রথমে ডায়ার উলফের জিনোম (বংশোগতির ধারায় সঞ্চালিত জিন মানচিত্র) পুনরুদ্ধার করে। যা প্রাচীন ডিএনএ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। এর পরে সেই জিনোমের মৌলিক বৈশিষ্টগুলি চিহ্নিত করা হয়।

পড়ুন>>পুরুষকে নয় রোবটকে বিয়ে করলেন নারী!

 

পরের ধাপে আধুনিক গ্রে উলফ বা ধূসর নেকড়ের ডিএনএ সংগ্রহ করে জিন প্রযুক্তিবিদ্যার সাহায্যে তৈরি করেন ডায়ার উলফের ‘জেনেটিক কোড’ সম্বলিত ডিএনএ। সেই ডিএনএ প্রতিস্থাপিত করা হয় ধূসর নেকড়ের ডিম্বাণুতে।

 

 

কারণ জিন বিশেষজ্ঞ রলেন্সের মতে ২৫ লক্ষ বছর আগে বংশগতির ধারায় জিনগত পৃথকীকরণ হয়েছিল দুই প্রজাতির নেকড়ের। ফলে এখনও অনেক জিনগত মিল রয়েছে তাদের। তবে নেকড়ে নয়, ডায়ার উলফ ভ্রূণের ‘গর্ভধারিণী’ (সারোগেট মাদার) হিসাবে বেছে নেওয়া হয় কুকুরকে।

 

 

‘কলসাল বায়োসায়েন্সেস’-এর সিইও বেন ল্যাম আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, তাঁদের বিজ্ঞানীরা একটি ১৩ হাজার বছর পুরোনো দাঁত এবং ৭২ হাজার বছর পুরোনো খুলি থেকে ডায়ার উলফের ডিএনএ সংগ্রহ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘জিন প্রযুক্তিবিদ্যার ক্ষেত্রে এটি ঐতিহাসিক সাফল্য।’’

 

 

যদিও জিন বিজ্ঞানীদের একাংশ এখনও ‘কলোসাল বায়োসায়েন্সেস’-এর দাবির সত্যতা সম্পর্কে সন্দিহান।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!