ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাকসুর ধারাবাহিকতা রক্ষায় দ্রুত তফসিল ঘোষণার দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির দিল্লিতে নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন মার্ক উড ভূমিদস্যুদের হাত থেকে পার্ক রক্ষায় স্বচ্ছতা জরুরি জাপানের কাছে হারে কাবাডিতে পদকের স্বপ্ন প্রায় শেষ সীমান্ত ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদনের আহ্বান গাজায় অর্থ সহায়তা নিয়ে অপপ্রচারের কড়া জবাব দিল কাতার অনুমোদন ছাড়াই সিলেট-তামাবিল সড়কে কাটা হচ্ছে শত শত গাছ বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী ফ্রান্স জাতিসংঘে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভূরুঙ্গামারীতে ঘন কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে দূশ্চিন্তায় কৃষক

রবিউল আলম লিটন
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে

বীজতলা

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

ভূরুঙ্গামারীতে ঘন কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে দূশ্চিন্তায় কৃষক

 

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। সূর্যের আলো ঠিকমতো না পাওয়ায় হলুদ ও ফ্যাকাশে বর্ণ ধারণ করেছে ধানের চারাগাছ।

 

 

গত কয়েকদিন ধরেই ভূরুঙ্গামারীতে ঘন কুয়াশা এবং উত্তরের হিমেল হাওয়ায় তীব্র শীত জেঁকে বসেছে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি বছর উপজেলায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর।এর মধ্যে হাইব্রীড ৯ হাজার২৫ হেক্টর উফসী ৭ হাজার ৪৫৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৫ হেক্টর। এর বিপরীতে কৃষকরা ৮৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করেছেন।এরমধ্যে হাইব্রীড ৪৫৫ হেক্টর উফসী ৩৮৮ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১ হেক্টর।

পড়ুন>> সাত বিষয়ে ফেল: এসএসসি পরীক্ষার দাবিতে স্কুলে তালা দিলেন নেতার ছেলে

 

ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের বাগভান্ডার গ্রামের আব্দুল মালেক বলেন, বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এভাবে শীত থাকলে বোরো আবাদের জন্য বিছন পাওয়াই সমস্যা হবে। তিলাই ইউনিয়নের লাভলু মিয়া চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের শফিউদ্দিন ও পাইকেরছড়া ইউনিয়নের দুলাল মিয়া জানান গত কয়েকদিনের প্রচন্ড শীতে তার চার ভাগের একভাগ বীজতলার বোরো ধানের চারাগাছ হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে।

 

 

তারা বলেন, চারাগাছগুলো হলুদ বর্ণ ধারণ করে প্রায় মরে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে। গাছগুলো নষ্ট হয়ে গেলে বোরো ধান আবাদ কিভাবে করবো তা নিয়ে খুবই চিন্তায় দিনাতিপাত করছি।

 

এ সমস্যায় উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদের বীজতলায় রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া, বীজতলায় সকালে জমে থাকা শিশির কনা ছাড়িয়ে দেওয়া, রাতে পানি সেচ দিয়ে সকালে বের করে দেয়া ও জমিতে নির্দিষ্ট পরিমান সার প্রয়োগসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।

 

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: আব্দুল জব্বার বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীতে উপজেলায় পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না থাকায় চারাগাছের পাতাগুলো ঠিকমতো খাদ্য তৈরি করতে পারছে না। তাই চারাগাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আশা করা যাচ্ছে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বীজতলা পুনরায় ঠিক হয়ে যাবে এবং পাতাগুলো সবুজ বর্ণ ধারণ করবে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারীতে ঘন কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে দূশ্চিন্তায় কৃষক

আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

 

 

ভূরুঙ্গামারীতে ঘন কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে দূশ্চিন্তায় কৃষক

 

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। সূর্যের আলো ঠিকমতো না পাওয়ায় হলুদ ও ফ্যাকাশে বর্ণ ধারণ করেছে ধানের চারাগাছ।

 

 

গত কয়েকদিন ধরেই ভূরুঙ্গামারীতে ঘন কুয়াশা এবং উত্তরের হিমেল হাওয়ায় তীব্র শীত জেঁকে বসেছে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি বছর উপজেলায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর।এর মধ্যে হাইব্রীড ৯ হাজার২৫ হেক্টর উফসী ৭ হাজার ৪৫৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৫ হেক্টর। এর বিপরীতে কৃষকরা ৮৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করেছেন।এরমধ্যে হাইব্রীড ৪৫৫ হেক্টর উফসী ৩৮৮ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১ হেক্টর।

পড়ুন>> সাত বিষয়ে ফেল: এসএসসি পরীক্ষার দাবিতে স্কুলে তালা দিলেন নেতার ছেলে

 

ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের বাগভান্ডার গ্রামের আব্দুল মালেক বলেন, বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এভাবে শীত থাকলে বোরো আবাদের জন্য বিছন পাওয়াই সমস্যা হবে। তিলাই ইউনিয়নের লাভলু মিয়া চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের শফিউদ্দিন ও পাইকেরছড়া ইউনিয়নের দুলাল মিয়া জানান গত কয়েকদিনের প্রচন্ড শীতে তার চার ভাগের একভাগ বীজতলার বোরো ধানের চারাগাছ হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে।

 

 

তারা বলেন, চারাগাছগুলো হলুদ বর্ণ ধারণ করে প্রায় মরে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে। গাছগুলো নষ্ট হয়ে গেলে বোরো ধান আবাদ কিভাবে করবো তা নিয়ে খুবই চিন্তায় দিনাতিপাত করছি।

 

এ সমস্যায় উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদের বীজতলায় রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া, বীজতলায় সকালে জমে থাকা শিশির কনা ছাড়িয়ে দেওয়া, রাতে পানি সেচ দিয়ে সকালে বের করে দেয়া ও জমিতে নির্দিষ্ট পরিমান সার প্রয়োগসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।

 

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: আব্দুল জব্বার বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীতে উপজেলায় পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না থাকায় চারাগাছের পাতাগুলো ঠিকমতো খাদ্য তৈরি করতে পারছে না। তাই চারাগাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আশা করা যাচ্ছে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বীজতলা পুনরায় ঠিক হয়ে যাবে এবং পাতাগুলো সবুজ বর্ণ ধারণ করবে।

 

 

Facebook Comments Box