বাংলাদেশে প্রথম হানাদার মুক্ত হয় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
বাংলাদেশে প্রথম হানাদার মুক্ত হয় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অ্যাস্টন ভিলার মাঠে বুকায়ো সাকার গোলে কষ্টার্জিত জয় পেল আর্সেনাল কিরগিজস্তানে এসসিও শীর্ষ সম্মেলন: মার্কিন প্রভাব মোকাবিলায় একমঞ্চে চীন, রাশিয়া ও ভারত নেপালের বন্যা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, এটি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল: বালেন শাহ কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে সড়ক নির্মাণ: আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগ শাহজালাল বিমানবন্দরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিমান বাহিনীর ৩ সদস্য নিহত পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১,৮৫৫ পদে নিয়োগের ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল ২০২৭ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি দিনাজপুরে বিজিবির বিশেষ অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ০১ ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনায় মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, দেখলেন সূর্যপুরী আমগাছ ও সমতলের চা বাগান আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি

বাংলাদেশে প্রথম হানাদার মুক্ত হয় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১
বাংলাদেশে প্রথম হানাদার মুক্ত এলাকা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী

বাংলাদেশে প্রথম হানাদার মুক্ত হয় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী

বাংলাদেশে প্রথম হানাদার মুক্ত হয় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী।

দেশের প্রথম স্বাধীন এলাকা হিসাবে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ।বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পথে এক মাস আগেই অর্থাৎ ১৪ নভেম্বর হানাদার মুক্ত হয় ভূরুঙ্গামারী। রাতভর তুমুল যুদ্ধের পর মুক্তিবাহিনী এবং মিত্র বাহিনীর ত্রিমুখী আক্রমণে দিশেহারা হয়ে দিনের আলো ফোটার আগেই এ অঞ্চল ত্যাগ করতে বাধ্য হয় পাক বাহিনী।

ফলে দেশের মানচিত্রের উত্তরাঞ্চল খ্যাত কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ১৯৭১ সালের এইদিনে উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা। ভূরুঙ্গামারী দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা।

১৯৭১ সালের এইদিনে ৬ নং সেক্টরের অধীন সাহেবগঞ্জ সাব-সেক্টরের মাধ্যমে ভূরুঙ্গামারীর দক্ষিণ দিক খোলা রেখে পশ্চিম, উত্তর ও পুর্ব দিক থেকে এক যোগে আক্রমণের সিন্ধান্ত নেয়া হয়। পরিকল্প্না মোতাবেক মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বে প্রবল আক্রমণ শুরু হয়। ১৩ নভেম্বর মিত্র বাহিনীর কামান, মর্টার প্রভৃতি ভারী অস্ত্র দিয়ে গোলা বর্ষণ শুরু হয় এবং ভারতীয় যুদ্ধ বিমান আকাশে চক্কর দিতে থাকে। অবশ্য এর একদিন আগে থেকেই মিত্র বাহিনীর বিমান শত্রুদের উপর গোলা বর্ষণ শুরু করেছিলো।

ভোর হবার আগেই পাকবাহিনীর গুলি বন্ধ হয়ে যায়। উল্লেখ্য, পাক সেনারা পিছু হটে পাশ্ববর্তী নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ নামক স্থানে অবস্থান নেয়। ১৪ নভেম্বর ভোরে মুক্তি বাহিনী জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে ভূরুঙ্গামারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও সিও অফিসের (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) সামনে চলে আসে। এসময় বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এ যুদ্ধে পাক বাহিনীর ক্যাপ্টেন আতাউল্লা খানসহ ৪০/৫০ জন পাকসেনা নিহত হয় এবং ৩০/৪০ জন পাকসেনা আটক হয়।

ঐ সময় সিও’র বাসভবন (বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন) এর দোতলায় তালা বদ্ধ অবস্থায় কয়েকজন নির্যাতিতা মহিলাকে উলঙ্গ অবস্থায় পাওয়া যায়। এদের অনেকে ৫/৬ মাসের অন্তসত্বা ছিলেন।

তা ছাড়াও ভূরুঙ্গামারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি তালা বদ্ধ কক্ষ থেকে ১৬ জন নির্যাতিতা মহিলাকে উদ্ধার করা হয়।প্রতি বছর উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সহায়তায় ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাব দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!