র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান
- আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান
‘এশিয়ার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত ৬৮তম র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশের সামাজিক সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ-এর প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। সোমবার ৩১ আগস্ট, বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা এবং ফিলিপাইনের স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় দেশটির রাজধানী ম্যানিলায় এ ঘোষণা করে র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন- আরএমএএফ। ফাউন্ডেশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এডগার ও. চুয়া এবং প্রেসিডেন্ট সুসানা বি. আফান।
২০২৬ সালের র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ফ্রেন্ডশিপ এর প্রতিষ্ঠা রুনা খান জানান, “অত্যন্ত আনন্দের সাথে আমি র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছি।
পড়ুন>>কাপ্তাইয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বসানোর সিদ্ধান্ত
এ স্বীকৃতি আমি সেইসব প্রান্তিক মানুষের পক্ষ থেকে গ্রহণ করছি, যারা আমাদেরকে তাদের পাশে দাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছেন। আর প্রান্তিক মানুষের পাশে দাড়িয়ে তাদের ভাগ্য উন্নয়নে সফলভাবে এগিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে ফ্রেন্ডশিপ পরিবার। ফ্রেন্ডশিপের মাঠ পর্যায়ের সেই সব সহযোদ্ধাদের নিরলস চেষ্টার ফলে আজ এমন অ্যাওয়ার্ড পাওয়া সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, গেল ২৫ বছর ধরে যারা ফ্রেন্ডশিপের পথচলায় আমাদের বিশ্বাস করেছেন এবং পাশে থেকেছেন, তাদের প্রতিও আমি গভীর কৃতজ্ঞ।
ফ্রেন্ডশিপের রুনা খান হচ্ছেন, বাংলাদেশ থেকে র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার পাওয়া ১৪তম ব্যক্তি। এর আগে বাংলাদেশ থেকে এ পুরস্কার পেয়েছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
পড়ুন>>
র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ডকে এশিয়ার অন্যতম সর্বোচ্চ ও মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি বহুলভাবে ‘এশিয়ার নোবেল’ নামে পরিচিত। ‘Greatness of Spirit’ বা মানবিক মহত্ত্ব এবং এশিয়ায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে নেতৃত্বের স্বীকৃতিতে এ পুরস্কার দেয়া হয়। ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের স্মরণে ১৯৫৮ সাল থেকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।
আগামী ১৫ নভেম্বর ফিলিপাইনের ম্যানিলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদানের কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য; ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খানের সামাজিক কাজের শুরু বাংলাদেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, বাস্তবতা ও প্রয়োজনকে অনুধাবন করে তাদের জীবনমান উন্নয়নে সমাধান তৈরির লক্ষ্যে ২০০২ সালে ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন রুনা খান।
একটি ভাসমান হাসপাতাল দিয়ে যাত্রা শুরু করা ফ্রেন্ডশিপ বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, জলবায়ু কার্যক্রম, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিকত্ব এবং সাংস্কৃতিক সংরক্ষণে কাজ করছে। সংস্থাটি বর্তমানে বছরে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষকে সেবা দিয়ে আসছে।
ফ্রেন্ডশিপের উন্নয়ন দর্শনের মূল কথা হলো—মানুষকে এমন ব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বাধ্য করা, যে ব্যবস্থা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারে না; বরং মানুষের বাস্তবতা, সক্ষমতা ও প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
এ কারণে স্থানীয় মানুষকে প্রশিক্ষিত করা, কমিউনিটিকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্পৃক্ত করা এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জীবিকা, অধিকার ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা ফ্রেন্ডশিপের কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























