ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তাড়াশে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ শরতেই শীতের আগমনী বার্তা, আগাম কুয়াশার চাদরে ঢাকা চারপাশ রাণীশংকৈলে ইটভাটা সংলগ্ন ধানক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার  রাণীশংকৈলে মতবিনিময় সভায় সারের কৃত্রিম সংকট রোধে কঠোর পদক্ষেপের তাগিদ  তেরঙ্গা ওড়াও কর্মসূচির আগে ফের আটক অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে সমাবেশ শুরুর আগে আটক দুই নেতা বার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েও নিজেকে আইনজীবী দাবি ট্রাম্পের প্রেস অপতথ্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান বিমানমন্ত্রীর জেরুজালেমে দূতাবাস: কলম্বিয়ার সিদ্ধান্তে কাতারের তীব্র নিন্দা ১৮ বছর পর ফের একসঙ্গে অপু বিশ্বাস ও আদনান

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনায় মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, দেখলেন সূর্যপুরী আমগাছ ও সমতলের চা বাগান

ঠাকুরগাঁও থেকে হুমায়ুন কবির
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনায় মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, দেখলেন সূর্যপুরী আমগাছ ও সমতলের চা বাগান

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনায় মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, দেখলেন সূর্যপুরী আমগাছ ও সমতলের চা বাগান

 

একদিকে দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বিশালাকৃতির ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছ, অন্যদিকে সমতলের মাটিতে গড়ে ওঠা সম্ভাবনাময় চা-বাগান—ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি, কৃষি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের এমন বৈচিত্র্য কাছ থেকে দেখলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

 

 

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক দুটি স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি।

 

পড়ুন>>প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে নাটোরে এসেও দেখা পেলেন না চীনা যুবক

সফরের শুরুতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী নিটলডোবা গ্রামের সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে পৌঁছালে টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ সরকারি কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত চা-বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। সমতলের মাটিতে চা চাষের কার্যক্রম, উৎপাদন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চান। সবুজে ঘেরা চা-বাগানের সৌন্দর্য এবং সমতলে চা চাষের সম্ভাবনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

 

পড়ুন>>আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি

এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি সমতলে কখনো চা দেখিনি। বাংলাদেশে এবারই প্রথম সমতলে চা চাষ দেখে আমি খুশি হয়েছি। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন।

আমরা সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকব।’ পরে তিনি চা-বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কাজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারি এলাকায় যান। সেখানে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এবং এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ আমগাছ হিসেবে পরিচিত ২০০ বছরেরও বেশি পুরোনো সূর্যপুরী আমগাছ পরিদর্শন করেন।

পড়ুন>>ব্যান্ডউইথ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ২০২৮ সাল নাগাদ বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

রাষ্ট্রদূত বিশাল আকৃতির প্রাচীন আমগাছটি ঘুরে দেখেন এবং এর আকার, বয়স ও ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চান। শতবর্ষের সাক্ষী এই গাছের বৈচিত্র্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব জেনে তিনি অভিভূত হন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ সফরে একসঙ্গে উঠে আসে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি, প্রকৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের অনন্য চিত্র। একদিকে সমতলে চা চাষের নতুন সম্ভাবনা, অন্যদিকে শতবর্ষের সাক্ষী সূর্যপুরী আমগাছ—দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের স্থান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে জেলার সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যের প্রতি তার আগ্রহের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনায় মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, দেখলেন সূর্যপুরী আমগাছ ও সমতলের চা বাগান

আপডেট সময় : ১০:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনায় মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, দেখলেন সূর্যপুরী আমগাছ ও সমতলের চা বাগান

 

একদিকে দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বিশালাকৃতির ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছ, অন্যদিকে সমতলের মাটিতে গড়ে ওঠা সম্ভাবনাময় চা-বাগান—ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি, কৃষি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের এমন বৈচিত্র্য কাছ থেকে দেখলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

 

 

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক দুটি স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি।

 

পড়ুন>>প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে নাটোরে এসেও দেখা পেলেন না চীনা যুবক

সফরের শুরুতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী নিটলডোবা গ্রামের সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে পৌঁছালে টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ সরকারি কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত চা-বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। সমতলের মাটিতে চা চাষের কার্যক্রম, উৎপাদন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চান। সবুজে ঘেরা চা-বাগানের সৌন্দর্য এবং সমতলে চা চাষের সম্ভাবনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

 

পড়ুন>>আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি

এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি সমতলে কখনো চা দেখিনি। বাংলাদেশে এবারই প্রথম সমতলে চা চাষ দেখে আমি খুশি হয়েছি। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন।

আমরা সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকব।’ পরে তিনি চা-বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কাজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সুলতান টি স্টেট পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারি এলাকায় যান। সেখানে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এবং এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ আমগাছ হিসেবে পরিচিত ২০০ বছরেরও বেশি পুরোনো সূর্যপুরী আমগাছ পরিদর্শন করেন।

পড়ুন>>ব্যান্ডউইথ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ২০২৮ সাল নাগাদ বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

রাষ্ট্রদূত বিশাল আকৃতির প্রাচীন আমগাছটি ঘুরে দেখেন এবং এর আকার, বয়স ও ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চান। শতবর্ষের সাক্ষী এই গাছের বৈচিত্র্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব জেনে তিনি অভিভূত হন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ সফরে একসঙ্গে উঠে আসে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি, প্রকৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের অনন্য চিত্র। একদিকে সমতলে চা চাষের নতুন সম্ভাবনা, অন্যদিকে শতবর্ষের সাক্ষী সূর্যপুরী আমগাছ—দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের স্থান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে জেলার সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যের প্রতি তার আগ্রহের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

 

 

Facebook Comments Box