নওগাঁর র‌্যাব হেফাজতে নিহত সুলতানার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে এডিসি মিল্টন চন্দ্রের নাম : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
নওগাঁর র‌্যাব হেফাজতে নিহত সুলতানার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে এডিসি মিল্টন চন্দ্রের নাম : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দৌলতপুরে মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক নাগেশ্বরীতে ৭ যাত্রীসহ অটোরিকশা পুকুরে পড়ে ৩জন গুরুতর আহত মজুত থাকলেও রোগীকে স্যালাইন না দেওয়ায় টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ সার লুটের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন ১০০ বস্তা সার উদ্ধার বিআরটিসি মহিলা বাসে ই-টিকিটিং চালু করল সহজ বাংলাদেশ স্কাউটসে ২৩ জন নিয়োগ: অনলাইনে আবেদনের সুযোগ ও বিস্তারিত রয়্যাল এডিনবরা মিলিটারি ট্যাটু ২০২৬-এ কাতারের পুলিশ একাডেমির নজরকাড়া অংশগ্রহণ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করল ফু-ওয়াং ফুড ইউক্রেনের স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক খাতে হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ভ্লাদিমির পুতিন

নওগাঁর র‌্যাব হেফাজতে নিহত সুলতানার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে এডিসি মিল্টন চন্দ্রের নাম

নওগাঁ থেকে সুবীর দাস
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০২৩
জতে নিহত সুলতানার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে এডিসি মিল্টন চন্দ্রের নাম

নওগাঁর র‌্যাব হেফাজতে নিহত সুলতানার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে এডিসি মিল্টন চন্দ্রের নাম পাওয়া গেছে।

 

আলোচিত র‌্যাব হেফাজতে নিহত নওগাঁর ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক সুলতানা জেসমিনের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পত্রে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের নাম পাওয়া গেছে।

সুলতানার হাতে লেখা প্রমাণ পত্রগুলো তার স্বজনরা উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির হাতে তুলে দিয়েছেন।

৪৬পাতা প্রমান পত্রের মধ্যে একটি পাতায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের একটি নম্বর, অঙ্কে ও কথায় লেখা ৫০ হাজার টাকা তা গত ০৫/০১/২০২৩ তারিখ (বৃহস্পতিবার) ও এডিসি মিল্টনের নাম লেখা আছে। সবই সুলতানার হাতে লেখা বলে তার স্বজনরা দাবি করেছেন।

সুলতানা জেসমিনের মামা নাজমূল হক মন্টু জানান, শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতো তার ভাগ্নী।

সম্প্রতি সেই বাসা থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে নিতে গিয়ে আর্থিক লেনদেনের ৪৬পাতার পত্রগুলো পাওয়া যায়।

সেই পত্রগুলোতে দেখা যায় মৃত্যুর আগে সম্প্রতিক সময়ে সুলতানা বেশ কয়েকটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে টাকা পাঠানো কথা লিখে রেখেছিলো।

প্রমাণপত্রগুলো হাইকোর্টের নির্দেশে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

৪৬ পাতা প্রমাণপত্রের একটিতে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের নাম লেখা আছে। সেই কাগজে একটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর ও ৫০,০০০ হাজার টাকা দেনদেনের কথা উল্লেখ আছে।

সুলতানার হাতে লেখা এসব প্রমান পত্রের সূত্র ধরে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এনামূল হকের দায়ের করা মামলা ও মৃত্যুর ঘটনার অনেক রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন মন্টু।

সুলতানা জেসমিনের মৃত্যু ও তার বিরুদ্ধে এনামূল হকের দায়ের করা মামলার বিষয়টি তদন্ত করছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

নওগাঁ সার্কিট হাউসে সুলতানার স্বজনদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছে তদন্ত কমিটি। এই কমিটির আহবায়ক মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের বলেন, খুঁটিনাটি সংশ্লিষ্ট সব বিষয়কেই প্রাধান্য দিয়ে তদন্ত করছেন তারা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সুলতানার আর্থিক লেনদেনের প্রমাণপত্রে নাম থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে এডিসি মিল্টন চন্দ্র রায় বলেন বিষয়টি তার জানা নেই। সুলতানা জেসমিনকে তিনি চিনতেন না বলে দাবি করেন। সুলতানার সাথে তার পরিবারের কারো কোন সম্পর্ক ছিলো না বলেও দাবি করেন এডিসি মিল্টন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!