রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
- আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি)।
রোববার নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আরপিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ জানান, প্রতিবেশী দেবুর নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে শিক্ষক গণপতির বাড়ির ছাদে এসে তারা মাদক সেবন করছিল। বিষয়টি দেখে ফেলায় গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীকে তারা হত্যা করে।
পড়ুন>>জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মাছুয়াপাড়ার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯), যারা সম্পর্কে মামাতো ভাই। শনিবার ভোররাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এর আগে পুলিশ শনিবার রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়ার ওই বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় তিন থেকে চার দিন আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এই নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
পুলিশের উদ্ধার অভিযানের বিবরণ অনুযায়ী
- প্রথম তলার সিঁড়িতে স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর (২৫) মরদেহ পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় তলার খাটের নিচে ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ ছিল।
- চিলেকোঠা থেকে উদ্ধার করা হয় গণপতি চক্রবর্তীর (৬৫) মরদেহ।
ঘটনার সময় বাড়ির আসবাবপত্র এলোমেলো ছিল এবং আলমারির ড্রয়ার ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরা জানান, চার বছর আগে বাড়িটি নির্মাণের পর থেকে গণপতি চক্রবর্তী পরিবার নিয়ে সেখানে বসবাস করতেন।
অবসরের পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দিতেন এবং এলাকার লোকজনের সঙ্গে খুব একটা মিশতেন না। তার এক সহকর্মী জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার তিনি অবসরের মোটা অঙ্কের টাকা ব্যাংক থেকে তুলেছিলেন।
পড়ুন>> মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেল ইরান: চলছে পর্যালোচনা
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে মেট্রোপলিটন পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডি যৌথভাবে কাজ করছে। সিআইডি রংপুরের ইনচার্জ সুমিত চৌধুরী জানান, প্রতিটি মরদেহের গলায় রশি, গামছা কিংবা গেঞ্জি পেঁচানো ছিল এবং মরদেহগুলো পচন ধরা অবস্থায় ছিল। সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে আলামত সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত কারণ ও ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























