ডুয়াল-ওয়ে থার্মো-সেন্সিং প্রযুক্তির মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন আনছে ইনফিনিক্স : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ডুয়াল-ওয়ে থার্মো-সেন্সিং প্রযুক্তির মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন আনছে ইনফিনিক্স : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি ও গণিত শিক্ষকদের বড় অংশেরই নেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি বন্ধ থাকা তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালুর উদ্যোগ: বেসরকারি খাতে লিজ চুক্তি স্বাক্ষর মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়: ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় কৌশলগত পুনর্বিন্যাস ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস ৪৭তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা: পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত জাবেদ হোসেনের মুখোমুখি হওয়া প্রশ্নগুলো দীর্ঘ তিন বছর পর সেপ্টেম্বরে মাঠে ফিরছে ফিলিস্তিনি ফুটবল লিগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কাতারে তীব্র গরমের শেষ ধাপ: আল-নাথরাহ তারার উদয়ে ১৩ দিনের সতর্কতা

ডুয়াল-ওয়ে থার্মো-সেন্সিং প্রযুক্তির মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন আনছে ইনফিনিক্স

ইমরান হোসাইন মিলন
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
ডুয়াল-ওয়ে থার্মো-সেন্সিং প্রযুক্তির মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন।

 

 

ডুয়াল-ওয়ে থার্মো-সেন্সিং প্রযুক্তির মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন আনছে ইনফিনিক্স

 

অনন্য ডিজাইন আর থার্মো-সেন্সিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোনে নতুনত্ব আনছে ইনফিনিক্স।
বর্তমানে স্মার্টফোন কেবল একটি প্রয়োজনীয় ডিভাইস নয়, বরং এটি ব্যবহারকারীর রুচি ও আভিজাত্যের প্রতিফলন। এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোনের বাজারে এক নতুন ঘরানা তৈরি করতে যাচ্ছে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। তাদের নতুন ফোন ‘ইনফিনিক্স হট ৭০’ নিয়ে এরই মধ্যে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এই ফোনটিতে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এর নান্দনিক রূপ, বিশেষ করে রঙের বৈচিত্র্য এবং ডিজাইনের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।

 

 

বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে এখন বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এখন ফোনের ফিচারের পাশাপাশি সেটি দেখতে কেমন এবং হাতে ধরলে কতটা প্রিমিয়াম মনে হয়, তা নিয়ে অনেক বেশি সচেতন। ইনফিনিক্সের নতুন এই উদ্যোগ মূলত সেই চাহিদাকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে, যেখানে ডিজাইনকে কেবল ওপরের আবরণ হিসেবে না দেখে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার মূল অংশ হিসেবে রাখা হয়েছে।

 

 

 

 

   নতুন এই ফোনের মূল আকর্ষণ হতে যাচ্ছে এর জাদুকরী রঙ পরিবর্তনের প্রযুক্তি। ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ‘ডুয়াল-ওয়ে থার্মো-সেন্সিং’ ব্যাক প্যানেল, যা থার্মোক্রোমিক প্রযুক্তিতে তৈরি। এই প্যানেলটি তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজের রঙ বদলাতে পারে।

 

পরিবেশের তাপমাত্রা বা হাতের স্পর্শের ওপর ভিত্তি করে ফোনটির রঙের আভা বদলে যাবে, যা ব্যবহারকারীকে এক অনন্য ও ব্যক্তিগত অনুভূতি দেবে। সবচেয়ে ভালো দিক হলো, এই রঙ পরিবর্তনের জন্য ফোন থেকে বাড়তি কোনো চার্জ বা বিদ্যুতের প্রয়োজন হবে না। রঙের এই চমৎকার কারুকাজের পাশাপাশি ফোনটির টেক্সচারের দিকেও নজর দিয়েছে ইনফিনিক্স।

 

 

এতে ব্যবহার করা হয়েছে বেশ আরামদায়ক ও উন্নত মানের ‘স্কিন-ফ্রেন্ডলি’ ফিনিশিং, যা সাধারণত দামী ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোতে দেখা যায়। এটি ফোনটিকে হাতে ধরার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও আরামদায়ক করবে।
তবে কেবল বাহ্যিক রূপ নয়, ফোনটির স্থায়িত্ব নিয়েও কাজ করা হয়েছে।

 

 

 

    এতে থাকছে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা যা ফোনকে হঠাৎ হাত থেকে পড়ে যাওয়া কিংবা ধুলোবালি ও পানির ঝাপটা থেকে রক্ষা করবে। স্মার্টফোনটিকে আরও কার্যকর করতে এতে থাকছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত বিশেষ ফিচার, যা নোট নেওয়া বা বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে সাহায্য করবে।

 

 

 

পারফরম্যান্সের দিক থেকেও ফোনটি হবে বেশ শক্তিশালী। এতে থাকছে উন্নত মানের প্রসেসর, যা গেমিং, মাল্টিটাস্কিং কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সময় কোনো ল্যাগ বা ঝামেলা ছাড়াই দারুণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

 

 

সব মিলিয়ে, সাধ্যের মধ্যেই আভিজাত্য ও আধুনিক প্রযুক্তির মিশেলে ইনফিনিক্সের এই ফোনটি মিড-রেঞ্জ সেগমেন্টে এক নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই ফোনটির পূর্ণাঙ্গ স্পেসিফিকেশন, দাম এবং বাজারে আসার সঠিক সময় ঘোষণা করা হবে।

ইনফিনিক্স:

ইনফিনিক্স মোবিলিটি একটি উদীয়মান প্রযুক্তি ব্র্যান্ড। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইনফিনিক্স ব্র্যান্ডের আওতায় বিশ্বজুড়ে অনেক ধরনের ডিভাইস ডিজাইন, প্রস্তুত ও বাজারজাত করে থাকে কোম্পানিটি। আজকের তরুণদের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল ডিভাইস প্রস্তুত করা তাদের মূল লক্ষ্য। এই ফোনগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য চমৎকার স্টাইল, পাওয়ার ও পারফরম্যান্স। ইনফিনিক্সের ট্রেন্ডি ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়।

 

 

“ভবিষ্যৎ আমাদের হাতের মুঠোয় (দ্য ফিউচার ইজ নাও)” মূলমন্ত্র নিয়ে ইনফিনিক্স আজকের তরুণদের স্বকীয়তা তুলে ধরার জন্য অনুপ্রাণিত করতে চায়।
আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি অঞ্চলের ৭০টির বেশি দেশে এই কোম্পানির পণ্য বিক্রি করা হয়। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ইনফিনিক্সের মরক্কোতে একটি কনসেপ্ট স্টোর, এর বাইরে ৭৪টি অনুমোদিত স্টোর (৩০% ইয়ার-অন-ইয়ার বৃদ্ধি) এবং সারা পৃথিবী জুড়ে ৪৬,৭০০টি রিটেইল স্টোর আছে। ইনফিনিক্সের একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক ফ্যানবেইজ তৈরি হয়েছে। নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি দ্রুত ফ্যানদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং এক্সওএস ফ্যান এডিশন টেস্ট করার জন্য নিয়মিত অফলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে কোম্পানিটি।

আরও জানার জন্য ভিজিট করুন:

http://www.infinixmobility.com/

ইনফিনিক্স বাংলাদেশ সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন:

ওয়েবসাইট:http://www.infinixmobility.com/bd/

ফেসবুক:https://www.facebook.com/InfinixBangladesh/

ইন্সটাগ্রাম:https://www.instagram.com/infinixbangladesh/

টিকটক:https://www.tiktok.com/@infinixbangladesh/

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!