ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের তীব্র বিক্ষোভ, বন্ধ ৪০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাহজালাল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত: মামলা নেত্রকোণায় বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় দোকানিকে পুড়িয়ে জখম ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার সাত যাত্রী নিহত অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন কাতারের সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ গঠন করলেন আমির বিমানবন্দরে একসাথে পলক ও ইব্রাহিম, তুঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ২ অক্টোবর ২০২৬; শুক্রবার কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে, জেনে নিন একনজরে রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা রূপপুর প্রকল্পের পারমাণবিক জ্বালানি আজ দেশে পৌঁছাচ্ছে

চার প্রেসক্লাব এক হয়ে ঐক্যের নতুন ইতিহাস বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের

ঠাকুরগাঁও থেকে হুমায়ুন কবীর
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ১৯৬৭৩ বার পড়া হয়েছে

সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম মশিউর রহমান সরকার নির্বাচিত হয়েছেন।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

 

চার প্রেসক্লাব এক হয়ে ঐক্যের নতুন ইতিহাস বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের

 

 

 

 

 

চার প্রেসক্লাব এক হয়ে ঐক্যের নতুন ইতিহাস গড়ে বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে হারুন ও মশিউর।
দীর্ঘদিনের বিভক্তি, মতপার্থক্য ও আলাদা সাংগঠনিক অবস্থানের অবসান ঘটিয়ে ঐক্যের নতুন দিগন্তে পা রাখলো ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাংবাদিক সমাজ।

 

 

 

 

চারটি পৃথক প্রেসক্লাব একীভূত হয়ে “বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাব” নামে একক সংগঠনে রূপ নেওয়ার পর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। সাংবাদিকদের কাছে দিনটি ছিল আনন্দ, আবেগ, গণতান্ত্রিক চর্চা ও ঐক্যের এক স্মরণীয় অধ্যায়। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত উপজেলা অডিটোরিয়ামে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

 

নির্বাচনে ১১টি পদে মোট ৮০ জন ভোটারের মধ্যে ৭৮ জন ভোটার গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠুর নিযুক্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা।

পড়ুন>> জহুরা উসমান খান মাদরাসায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

 

 

 

নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ হারুন অর রশিদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ জুলফিকার আলী শাহ পেয়েছেন ২১ ভোট। সহ-সভাপতি পদে ৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মোঃ দবিরুল ইসলাম। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এনএম নুরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩০ ভোট।

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন এস এম মশিউর রহমান সরকার। তিনি পেয়েছেন ৪৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ ইলিয়াস আলী পেয়েছেন ২০ ভোট। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আব্দুল মমিন।

 

 

 

অপরদিকে মোঃ নুরে আলম নুরানী (সাদ্দাম) পেয়েছেন ১২ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ফজলুর রহমান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ মাজেদুল ইসলাম হৃদয় পেয়েছেন ২১ ভোট।

 

পড়ুন>> জহুরা উসমান খান মাদরাসায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

 

 

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মোঃ আব্দুর নুর আজাদ। অপর প্রার্থী মোঃ নুরনবী পেয়েছেন ২৯ ভোট।কোষাধ্যক্ষ পদে ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ নুরুজ্জামান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ হাসান আলী পেয়েছেন ৩৬ ভোট।

 

 

 

দপ্তর সম্পাদক পদে ৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আব্দুল মোতাল্লিব সম্রাট। প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ সামানুর ইসলাম পেয়েছেন ২৬ ভোট। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল উদ্দীন।

 

 

 

ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সম্পাদক পদে ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মোঃ নইমুল ইসলাম নায়ুম। কার্যকরী সদস্য (৩টি পদ) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্বজিৎ সরকার (রনি), মোহাম্মদ মিলন আখতার ও মোঃ জিয়াউর রহমান। এ পদে আরও কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

 

 

 

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ মকবুল হোসেন। প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ছিলেন শাহ মোঃ নাজমুল ইসলাম।

 

আরও পড়ুন>>কাউনিয়ায় নিখোঁজের একমাস হলেও আব্দুল কুদ্দুসের সন্ধান মেলেনি

 

 

এছাড়াও নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচন কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. মকবুল হোসেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সদস্য হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মো. আল মামুন জীবন, মাহমুদুল হাসান দুলু ও শহিদুল্লাহ সিদ্দিকী।

 

 

 

পুরো নির্বাচনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং গণতান্ত্রিক চর্চার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন মহলের মতে, উপজেলার চারটি প্রেসক্লাব এক হয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ সংগঠনে রূপ নেওয়া শুধু সাংবাদিক সমাজের জন্য নয়, বরং পুরো বালিয়াডাঙ্গীর জন্যই একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

 

 

দীর্ঘদিনের বিভাজন ভুলে সবাই একই প্ল্যাটফর্মে এসে কাজ করার যে নজির স্থাপিত হয়েছে, তা ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, অধিকার রক্ষা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

 

 

 

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সকল সাংবাদিককে সঙ্গে নিয়ে একটি শক্তিশালী, আধুনিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচনকে ঘিরে দিনব্যাপী সাংবাদিকদের মাঝে ছিল উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নতুন নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানান এবং ঐক্যবদ্ধ এই নতুন যাত্রাকে স্বাগত জানান।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চার প্রেসক্লাব এক হয়ে ঐক্যের নতুন ইতিহাস বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের

আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

 

 

 

 

চার প্রেসক্লাব এক হয়ে ঐক্যের নতুন ইতিহাস বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের

 

 

 

 

 

চার প্রেসক্লাব এক হয়ে ঐক্যের নতুন ইতিহাস গড়ে বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে হারুন ও মশিউর।
দীর্ঘদিনের বিভক্তি, মতপার্থক্য ও আলাদা সাংগঠনিক অবস্থানের অবসান ঘটিয়ে ঐক্যের নতুন দিগন্তে পা রাখলো ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাংবাদিক সমাজ।

 

 

 

 

চারটি পৃথক প্রেসক্লাব একীভূত হয়ে “বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাব” নামে একক সংগঠনে রূপ নেওয়ার পর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। সাংবাদিকদের কাছে দিনটি ছিল আনন্দ, আবেগ, গণতান্ত্রিক চর্চা ও ঐক্যের এক স্মরণীয় অধ্যায়। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত উপজেলা অডিটোরিয়ামে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

 

নির্বাচনে ১১টি পদে মোট ৮০ জন ভোটারের মধ্যে ৭৮ জন ভোটার গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠুর নিযুক্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা।

পড়ুন>> জহুরা উসমান খান মাদরাসায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

 

 

 

নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ হারুন অর রশিদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ জুলফিকার আলী শাহ পেয়েছেন ২১ ভোট। সহ-সভাপতি পদে ৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মোঃ দবিরুল ইসলাম। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এনএম নুরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩০ ভোট।

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন এস এম মশিউর রহমান সরকার। তিনি পেয়েছেন ৪৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ ইলিয়াস আলী পেয়েছেন ২০ ভোট। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আব্দুল মমিন।

 

 

 

অপরদিকে মোঃ নুরে আলম নুরানী (সাদ্দাম) পেয়েছেন ১২ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ফজলুর রহমান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ মাজেদুল ইসলাম হৃদয় পেয়েছেন ২১ ভোট।

 

পড়ুন>> জহুরা উসমান খান মাদরাসায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

 

 

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মোঃ আব্দুর নুর আজাদ। অপর প্রার্থী মোঃ নুরনবী পেয়েছেন ২৯ ভোট।কোষাধ্যক্ষ পদে ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ নুরুজ্জামান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ হাসান আলী পেয়েছেন ৩৬ ভোট।

 

 

 

দপ্তর সম্পাদক পদে ৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আব্দুল মোতাল্লিব সম্রাট। প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ সামানুর ইসলাম পেয়েছেন ২৬ ভোট। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল উদ্দীন।

 

 

 

ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সম্পাদক পদে ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মোঃ নইমুল ইসলাম নায়ুম। কার্যকরী সদস্য (৩টি পদ) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্বজিৎ সরকার (রনি), মোহাম্মদ মিলন আখতার ও মোঃ জিয়াউর রহমান। এ পদে আরও কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

 

 

 

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ মকবুল হোসেন। প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ছিলেন শাহ মোঃ নাজমুল ইসলাম।

 

আরও পড়ুন>>কাউনিয়ায় নিখোঁজের একমাস হলেও আব্দুল কুদ্দুসের সন্ধান মেলেনি

 

 

এছাড়াও নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচন কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. মকবুল হোসেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সদস্য হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মো. আল মামুন জীবন, মাহমুদুল হাসান দুলু ও শহিদুল্লাহ সিদ্দিকী।

 

 

 

পুরো নির্বাচনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং গণতান্ত্রিক চর্চার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন মহলের মতে, উপজেলার চারটি প্রেসক্লাব এক হয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ সংগঠনে রূপ নেওয়া শুধু সাংবাদিক সমাজের জন্য নয়, বরং পুরো বালিয়াডাঙ্গীর জন্যই একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

 

 

দীর্ঘদিনের বিভাজন ভুলে সবাই একই প্ল্যাটফর্মে এসে কাজ করার যে নজির স্থাপিত হয়েছে, তা ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, অধিকার রক্ষা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

 

 

 

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সকল সাংবাদিককে সঙ্গে নিয়ে একটি শক্তিশালী, আধুনিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচনকে ঘিরে দিনব্যাপী সাংবাদিকদের মাঝে ছিল উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নতুন নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানান এবং ঐক্যবদ্ধ এই নতুন যাত্রাকে স্বাগত জানান।

 

 

Facebook Comments Box