কবি কাজী নজরুলের জন্ম দিনের স্মৃতিচারণ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
কবি কাজী নজরুলের জন্ম দিনের স্মৃতিচারণ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অ্যাস্টন ভিলার মাঠে বুকায়ো সাকার গোলে কষ্টার্জিত জয় পেল আর্সেনাল কিরগিজস্তানে এসসিও শীর্ষ সম্মেলন: মার্কিন প্রভাব মোকাবিলায় একমঞ্চে চীন, রাশিয়া ও ভারত নেপালের বন্যা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, এটি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল: বালেন শাহ কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে সড়ক নির্মাণ: আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগ শাহজালাল বিমানবন্দরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিমান বাহিনীর ৩ সদস্য নিহত পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১,৮৫৫ পদে নিয়োগের ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল ২০২৭ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি দিনাজপুরে বিজিবির বিশেষ অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ০১ ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনায় মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, দেখলেন সূর্যপুরী আমগাছ ও সমতলের চা বাগান আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি

কবি কাজী নজরুলের জন্ম দিনের স্মৃতিচারণ

সৃষ্টি ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২২

আজ ৯ই অক্টোবর আমাদের প্রাণপ্রিয় বাবা উপমহাদেশের গোল্ডেন ভয়েস কাজী সব্যসাচীর জন্মদিন।

আমাদের অনেক সৌভাগ্য হয়েছিল এমন একজন বাবা পেয়েছিলাম। দাদুর সামনে প্রায় কবিতা আবৃত্তি করতেন। তখন থেকেই দাদুর কবিতার সঙ্গে পরিচিতি লাভ করি।

ছোট বেলায় এত বুঝিনি কিন্তু একটু বড় হয়ে বুঝলাম বাবা কত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। ঐ রকম কণ্ঠ যে কণ্ঠ শুনলে বার বার শুনতে ইচ্ছে হতো। কতো যে ছাত্র ছাত্রী বাড়িতে আসত আবৃত্তি শিখতে তা লিখে বোঝাতে পারবো না। কতো ফিল্ম এর আর্টিস্ট রা আসতেন বাবার কাছে কণ্ঠের অনুশীলন নিতে।

বাবা বহু ফিল্ম এ কণ্ঠ দিয়েছেন ডকুমেন্ট ফিল্ম এ অনেক কণ্ঠ দিয়েছেন একদিন একটা মজা হল, আমরা বাবা কে না জানিয়ে সিনেমা দেখতে গেলাম মিষ্টি ও ছিলো বাপি আমাদের ছোট ভাই ও অনেক ছোট ছিল ওকেও নিতাম মাঝে মাঝে যাই হোক সিনেমা হলে পৌছালাম তখন তো বাবা হাতে অত বেশি টাকা দিতেন না। এক টাকা ২ টাকা বড় জোর ৫ টাকা অনেক বেশি ছিল আমাদের জন্য তারপর আমাদের স্কুলের পুরোনো বই বিক্রি করে ও সিনেমা দেখেছি সে এক আলাদা অনুভুতি।

যাই হক সিনেমা শুরু হওয়ার আগে ট্রেইলর দেখাতো তো হঠাৎ শুনলাম বাবার কণ্ঠ একটা সরকারি ডকুমেন্ট এ বলছেন কি অপূর্ব কণ্ঠ আমরা তো অবাক বাবা কথা বলছেন আর আমরা সবাই চিৎকার করে বলা শুরু করলাম বাবা বাবার ভয়েস হলে যত লোকজন ছিলো হা করে আমাদেরকে দেখছে। যেই সেদিকে খেয়াল হলো আমরা চুপ হয়ে গেলাম কিন্তু গর্বে বুক টা ভরে যাচ্ছিল।

উত্তম কুমার বাবার বন্ধু ছিলেন দাদুর জন্মদিনে সি আই টি রোডের ফ্ল্যাট এ আসতেন দাদু কে দেখতে মনে শুধু তিনিই নন্ সারা কলকাতার শিল্পীরা বাড়িতে আসতেন। কি যে আনন্দঘন মুহূর্ত ছিলো আজও মনে গেথে আছে।

এমন দাদু এমন বাবা পেয়েছি আমরা ধন্য বাঙালি শিল্প সংস্কৃতি ধন্য। বাঙালি ধন্য। এই অসাধারণ মানুষ আর আসবে না কিন্তু বাঙালি চিরকাল তাদের অবদান মনে রাখবে। বাবা চিরকাল থাকবেন বিদ্রোহী কবিতায়। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি আমীন।

সৌজন্যে: খিলখিল কাজী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!