ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবি: মানববন্ধন ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ২৬৬০৯ বার পড়া হয়েছে

তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবি: মানববন্ধন ও সমাবেশ

তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানো ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রাম রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন এলাকাবাসী।

 

শনিবার দুপুরে জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে তিস্তা নদীর তীরবর্তী পলাশপুর এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভাঙনকবলিত মানুষসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেন।

 

পড়ুন>> ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখীর তাণ্ডব গাছপালা উপড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত: কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

 

 

 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সিনিয়র আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু।

 

 

বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শাহ আলম, নাজিমখান ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বাদশা বক্সী, সদস্যসচিব আতিকুর রহমান আতিক, এডভোকেট মোশাররফ হোসেন, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামসহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মোকসেদ আলী ও মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ২০১৬ সাল থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তিনি বলেন, তিস্তা নদী ভারতের সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

 

পড়ুন>> এসএসসি প্রশ্নফাঁসের নামে অনলাইনে প্রতারণা: আটক ৪ প্রতারক

 

 

তিনি আরও বলেন, তিস্তার দুই তীরের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই লাখ মানুষ বসবাস করে, যারা প্রতি বছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ বসতভিটা ও জীবিকা হারাচ্ছেন।

 

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পলাশপুর গ্রামকে রক্ষায় দ্রুত কার্যকর নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের বসতভিটা ও জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

 

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী এলাকাবাসী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

 

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবি: মানববন্ধন ও সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৫:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবি: মানববন্ধন ও সমাবেশ

তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানো ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রাম রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন এলাকাবাসী।

 

শনিবার দুপুরে জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে তিস্তা নদীর তীরবর্তী পলাশপুর এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভাঙনকবলিত মানুষসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেন।

 

পড়ুন>> ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখীর তাণ্ডব গাছপালা উপড়ে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত: কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

 

 

 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সিনিয়র আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু।

 

 

বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শাহ আলম, নাজিমখান ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বাদশা বক্সী, সদস্যসচিব আতিকুর রহমান আতিক, এডভোকেট মোশাররফ হোসেন, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামসহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মোকসেদ আলী ও মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ২০১৬ সাল থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তিনি বলেন, তিস্তা নদী ভারতের সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

 

পড়ুন>> এসএসসি প্রশ্নফাঁসের নামে অনলাইনে প্রতারণা: আটক ৪ প্রতারক

 

 

তিনি আরও বলেন, তিস্তার দুই তীরের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই লাখ মানুষ বসবাস করে, যারা প্রতি বছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ বসতভিটা ও জীবিকা হারাচ্ছেন।

 

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পলাশপুর গ্রামকে রক্ষায় দ্রুত কার্যকর নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের বসতভিটা ও জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

 

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী এলাকাবাসী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

 

 

 

 

Facebook Comments Box