ভূরুঙ্গামারীতে দাখিল সার্টিফিকেট জটিলতায় অবরুদ্ধ হলেন বরখাস্তকৃত সুপার : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ভূরুঙ্গামারীতে দাখিল সার্টিফিকেট জটিলতায় অবরুদ্ধ হলেন বরখাস্তকৃত সুপার : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের চারা গাছ, স্কুলে বেঞ্চ ও একইসাথে হতদরিদ্রের মাঝে চাল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়—‘ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান এবার রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে’ লোডশেডিংয়ে কারখানাগুলোতে কমছে উৎপাদন, ব্যাহত হচ্ছে সেচ। নাগেশ্বরীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ টাইগারদের বোলিং তাণ্ডবে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়া, হারিয়েছে ৮ উইকেট মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে ভুয়া ভিসায় আটকের তালিকায় শীর্ষে বাংলাদেশিরা কাতারে সুলতান হাইথাম বিন তারিক: আমির শেখ তামিমের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত প্রেক্ষাপট: এনজিও কর্মীদের প্রগতি পেনশন স্কিমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান অর্থ উপদেষ্টার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিল-স্বাক্ষর জালিয়াতি: ছয়জনের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভূরুঙ্গামারীতে দাখিল সার্টিফিকেট জটিলতায় অবরুদ্ধ হলেন বরখাস্তকৃত সুপার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
ভূরুঙ্গামারীতে দাখিল সার্টিফিকেট জটিলতায় অবরুদ্ধ হলেন বরখাস্তকৃত সুপার সাইদুর রহমান।

 

 

 

ভূরুঙ্গামারীতে দাখিল সার্টিফিকেট জটিলতায় অবরুদ্ধ হলেন বরখাস্তকৃত সুপার

 

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দাখিল-২০২৪ সালে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদেরকে সার্টিফিকেট প্রদান না করায় শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে বরখাস্তকুত সুপার মো. সাইদুর রহমানকে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা । পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে এবং তিনি ১৫ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। রোববার দুপুরে কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

জানা যায়, নিয়োগ জালিয়াতি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মো. সাইদুর রহমানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। এরপর মৌলভী শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

পড়ুন>> ভূরুঙ্গামারীর তিন ইউনিয়নের বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন

 

 

দায়িত্ব নেওয়ার পর একাধিকবার অফিসের কাগজপত্র বুঝে নিতে চাইলে বরখাস্তকৃত সুপার তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে এডহক কমিটির সভাপতি মো. মাহফুজার রহমানের উপস্থিতিতে আলমারির তালা খুলে রেজুলেশন করে কাগজপত্র ভারপ্রাপ্ত সুপারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

 

এরই মধ্যে ২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তাদের সার্টিফিকেট নিতে এলে দেখা যায়, হস্তান্তরকৃত কাগজপত্রের মধ্যে এসব সার্টিফিকেট নেই। মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, সুপার সাইদুর রহমান প্রথমে দাবি করেন, তিনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে কোনো সার্টিফিকেট আনেননি।

 

 

পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বোর্ডের আঞ্চলিক অফিসে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সুপার সাইদুর রহমানের সিল ও স্বাক্ষরে দাখিল-২০২৪ ব্যাচের ১৬টি মূল সার্টিফিকেট উত্তোলন করা হয়েছে।

 

 

এ তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা তার কাছে সার্টিফিকেট চাইলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখাতে থাকেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করলে ইউএনও শাহাদাৎ হোসেন দ্রুত সার্টিফিকেট বিতরণের জন্য সুপারকে মৌখিক নির্দেশ দেন। তবে সেই নির্দেশও মানা হয়নি বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগীরা।

পড়ুন>>তাহিরপুরে হাওরে বজ্রপাতে ১জনের মৃত্যু

 

 

রোববার দুপুরে ব্যক্তিগত কাজে মাদ্রাসায় এলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাকে ঘিরে সার্টিফিকেট বিতরণের দাবি জানান। কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব না দিয়ে চলে যেতে চাইলে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

 

 

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি মো. আজিম উদ্দিন জানান, ঘটনাটি তাদের জানা আছে, তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

ইউএনও শাহাদাৎ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি সুপারকে দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তা কেন বাস্তবায়ন হয়নি, তা তিনি জানেন না।

 

 

 

অন্যদিকে, বরখাস্তকৃত সুপার সাইদুর রহমান দাবি করেন, তার অনুপস্থিতিতে অফিসের আলমারির তালা ভেঙে তৎকালীন সভাপতির মাধ্যমে সব কাগজপত্র ভারপ্রাপ্ত সুপারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সার্টিফিকেটগুলো সেখানেই ছিল এবং এখন তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন>> কাউনিয়ায় অটো চালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

 

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর দীর্ঘদিন কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। পরে কমিটির উপস্থিতিতে যে কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়, সেখানে ২০২৪ সালের দাখিল সার্টিফিকেট ছিল না। তার দাবি, সেগুলো সুপারের কাছেই ছিল এবং আজ পর্যন্ত সেগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

 

 

 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম জানায়, বোর্ড থেকে সার্টিফিকেট উত্তোলনের প্রমাণ তারা সংগ্রহ করেছে। তার অভিযোগ, ২০২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সুপারের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করায় সুপার ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের কাগজপত্র আটকে রেখে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

 

 

 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, এই নিয়ে এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!