৩ হাজার লাশের গোসল করা সৃষ্ট নারী রোজিনা বেগম।
৩ হাজার মৃত শিশু শিশু ও গোসল করা নারী সৈনিক নারী নীলফামারীর রোজিন বেগম।
রোজিনা বেগম অনেক ধরনের মরদেহ গোসল করতেই হয়। জীবনের মধ্যে খারাপ, কষ্টও হয়। যখন ছোট বাচ্চাদের মরদেহ গোসল করতে হয় তখন খুব আফসোস হয়। অনেক সময় গোসল করতে গিয়ে মনে হয় আমরাও তোকে বসাতে, আমাদেরকে গোসল করতে নিয়ে যাবে।
এই কাছে কান্না আসে। তিনি নীলফামারীরডোমার পূরনের পূর্বের চিকনমাটি তমিজ স্ত্রী।
ষাটোর্ধ্ব এই নারী ২০ বছর ধরে ধরেও প্রায় মরদেহ গোসল করানোর কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় তিন মৃত নারী ও শিশুশিশুর গোব্ল তিনি রোজিনা বেগম বলেন, আগে আমি শিশু প্রসবের কাজ করি।
প্রায় ২০ বছর আগে স্থানীয় একজনের সঙ্গে মরদেহের গোসেলে গিয়ে কাজটা শিখেছি। তখন থেকে এখন প্রায় তিন মৃত নারী ওশিশুর গোসল দিয়েছি।
এমন দিন রাত ৩-৪টার সময় মরদেহের গোসল দিতে হয়েছে। অনেক সময় আমি একাই সেখানে উপস্থিত। মরদেহের গোসল দিতে ভয়ে এমন প্রশ্নে রোজিনা বেগম বলেন, ভয় দল না। তবে অনেক মরদেহের মধ্যে দেখা যায়, চেহেরা অন্যরকম হয়, তারপরও গোসল করাই। আর শিশু তোর খালাস অভিজ্ঞতার কথা আছে।
রোজিনা বেগম বলেন, গো করানোর সময় অনেক শরীরে মলমূত্র থাকে, জানালে পরিষ্কার হয়। মনটা যদি থাকে তাহলে আমার প্রতি ঘৃণা ঠিক থাকে না।
আমরা মরদেহ গোসল সময় হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করি। আগে একজনের গোসল দিয়েছি। কিন্তু নারীর অবস্থা খুব খারাপ ছিল। এমন হয়েছিল গোসল করার সময়ও পায়খানা ছিল।
অনেক স্মরণ আছে, না মুখ দিয়ে আসে। সবার প্রাণ যেমন ভোট হয় না, দেখা মরদেও একই আশা করা যায় না।
মরদেহ গোসল প্লাকটা বলতে গিয়ে নিজের পরিবারের কষ্টলাপও করেন রোজিনা বেগম। তিন মাস আগে তার স্বামী তমিজ দীন স্ট্রোক করেছেন।
দিনমজুর স্বামীর এমন চাপাচাপিতে না আনতে পান্তা ফুরানোর মতো শক্তি শক্তি এই বৃদ্ধা তিনি বলেন, এখন তো আমার স্বামী থাকতে পারেন না। তিন মাস হলো স্ট্রোক করেছেন। আগে দিনমজুরের কাজ করতে। আমি আমার স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রী, উনার স্ত্রীর দুই ছেলে আছে। আমার কোনো সন্তান নেই। হোটেল কাছে কিছু চাই না, খাই। শিশু খালাস করে কিছু টাকাপয়সা ও কাপড় পাই, আমাকে কোনোভাবে দিন দেখতে। তবে আমি মরদেহ গোসলের কাছ থেকে টাকা পয়সা না নিই।
রোজিনা বেগম বলেন, কোনো সময় রাত গোসল করানোর পর আবার সেই মরদেহকে সলিও পরিষ্কার করতে হয়। মরদেহকে তো ভালো করে পরিষ্কার করা হয়, তা না হলে আমরা নিজেরাই থাকতে। গোসল করার সময় ৪-৫ সাথে রাখা হয়।
রোজিনা শুধু মরদেহের গোসল মুসলিম এমনটা নয়, তিনি অনেক নারীকে এই মহতী কাজটি হাতেকলমে শিখিয়েছেন। এখন তিনি শিখিয়েছেন তারাও রোজিনাকে আমার মধ্যে মরদেহ গোসলের চেষ্টা করছেন।
মরদেহ গোসল দেওয়া পুলিশকে জানতে ডোমার জামিয়া ইসলামিয়া আমিরুন্নেছার শিক্ষিকা আক্তার বলেন, মুসলিম কেউ মারা পুরুষ পুরুষ ও নারীরা মহিলা মহিলা মহিলাকে মেনে নিতে,
ডোমার পৌরসভার কাউন্সিলর নাসিমা বেগম বলেন, আমাদের এখানে মারা পুরুষ মহিলা এবং মারামারি মহিলা গোসল দেন৷
৪-৫ জন এই গোসলের কাজটা করে থাকেন। তবে গোসল করে কাজটা করতে পারেন না। রোজিনা বেগম সহ নারী আছেন, যারা ধরেছেন এই মহতী দায়িত্ব পালন করছেন।
[…] জানাযায়, উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের হাসিল হোসেন গ্রামে ছামিদুল ইসলামের চাতালে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ভেজাল গো- খাদ্য ও মাছের খাদ্য তৈরি করে আসছিল আব্দুর রহিম নামে এক ব্যবসায়ী। তৈরিকৃত ভেজাল খাদ্য বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানির নামে প্যাকেট জাতকরে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিল। পড়ুন>>৩ হাজার লাশের গোসল করা সাহসী নারী রোজি… […]