ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সলঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান

সিরাজগঞ্জ জেলা  থেকে মো. লুৎফর রহমান লিটন
  • আপডেট সময় : ০৯:০২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩ ২০৩ বার পড়া হয়েছে

শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সলঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সলঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ মোকলেছুর রহমান তালুকদার।

আজ চৈত্রসংক্রান্তি,
১৪২৯ বঙ্গাব্দের শেষ দিন।
পুরাতন বর্ষ বিদায়ের মধ্য দিয়ে
আসছে পহেলা বৈশাখ-
১৪২৩০ বাংলাসনের
আগমনবার্তা – শুভ নববর্ষ।

আনন্দ উৎফুল্লতায় জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে বাংলাদেশের জনগণের
পহেলা বৈশাখে নববর্ষকে বরণের দিন।
পহেলা বৈশাখ!

তানোর উপজেলার আপমোর জনতাকে বাঙালির জাতীয় ভিত্তিক, সাংস্কৃতিক
প্রধান উৎসব–বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সলঙ্গা থানা যুবলীগের আহবায়ক সলঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ মোকলেছুর রহমান তালুকদার

তিনি শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন; বাংলা নববর্ষের উৎপত্তি বিকাশ,
বাংলার কৃষকদের চাষাবাদ,
রাজা জমিদারদের খাজনা আদায়,
চৈত্রসংক্রান্তি পেরিয়ে
ব্যবসায়ীদের হালখাতা উৎসব
হিসেব নিকেশ হাল নাগাদ করণ,
বাঙালি জাতি, বাংলার ঐতিহ্য-ইতিহাস
তুলে ধরা হয় এ দিবসটা পালনের মাধ্যমে।

এদিন সাহিত্য-সংগীত, নাটক ও অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি, বাংলাদেশের জনগণ
আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে।

এদিনে লঙ্কা-ইলিশ সহ পান্তাভাত খাওয়া উৎসব, এসব-ই আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি,নিজস্ব উৎসব।

অতীতে- বাংলা ছিল কৃষিনির্ভর, স্বর্নিভর গ্রামসমষ্টি। বাংলার জনগণের প্রধান পেশা কৃষিকাজ- চাষাবাদ, বীজ বপন, পরিচর্যা, ফসল কাটা ও উত্তোলন, বীজ সংরক্ষণ ইত্যাদি কৃষিকর্ম নিয়ে- পালন হতো বর্ষবরণ উৎসব ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান।

এসব অনুষ্ঠান প্রকৃতি ভৌগলিক অবস্থান আমাদের কৃষি ব্যবসাবাণিজ্যের সাথে নিবিড় ভাবে সম্পর্কিত। অতীতে জাঁকজমক অনুষ্ঠান করে রাজা জমিদারা তাদের নির্দিষ্ট অংশ খাজনা নিত।

খাজনাদি আদায়ের সুবিধার্থে সম্রাট আকবরের উপদেষ্টা আমির ফতেহ উল্লাহ সিরাজী- চন্দ্র মাসের সাথে সমন্বয় করে সৌর মাস বাংলা সৌর বর্ষ, ১ বৈশাখ বছরের প্রথম দিন নির্ধারণ করেন।

জমিদার, রাজা, বাদশাহ’র সুবিধার্থে খাজনা আদায়, প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাদশাহ আকবর বাংলা নববর্ষের সূচনা করলেও পহেলা বৈশাখ উৎসব সেই যায়গায় স্থির থাকেনি। এখন তা বাঙালি গণসংস্কৃতি উৎসবে পরিনত হয়েছে।

সমাজবিজ্ঞানীদের ধারনা এর পূর্বে অগ্রহায়ণ বাংলা বর্ষের প্রথম মাস হিসাবে ধরা হতো।
অগ্র মানে প্রথম, হায়ণ মানে বছর,
অর্থাৎ বছরের প্রথম মাস।

এসময় আমন ধান ঘরে তোলার সময়
নবান্ন উৎসব করা হতো।
যা এখনও বিভিন্ন স্থানে প্রচলিত আছে।
পহেলা বৈশাখ পালন- নতুন নতুন আঙ্গিকে নব-নব রূপে এর প্রসারে ব্যাপকতা বাড়ছে।

গ্রাম থেকে মফস্বল, শহর সর্বত্র বাঙালী জাতি, বাংলাদেশের জনগণ এ অনুষ্ঠান পালনে অংশ নিচ্ছে। এতে আমাদের জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতি, দিনদিন বিকাশিত হচ্ছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সলঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান

আপডেট সময় : ০৯:০২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সলঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ মোকলেছুর রহমান তালুকদার।

আজ চৈত্রসংক্রান্তি,
১৪২৯ বঙ্গাব্দের শেষ দিন।
পুরাতন বর্ষ বিদায়ের মধ্য দিয়ে
আসছে পহেলা বৈশাখ-
১৪২৩০ বাংলাসনের
আগমনবার্তা – শুভ নববর্ষ।

আনন্দ উৎফুল্লতায় জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে বাংলাদেশের জনগণের
পহেলা বৈশাখে নববর্ষকে বরণের দিন।
পহেলা বৈশাখ!

তানোর উপজেলার আপমোর জনতাকে বাঙালির জাতীয় ভিত্তিক, সাংস্কৃতিক
প্রধান উৎসব–বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সলঙ্গা থানা যুবলীগের আহবায়ক সলঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ মোকলেছুর রহমান তালুকদার

তিনি শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন; বাংলা নববর্ষের উৎপত্তি বিকাশ,
বাংলার কৃষকদের চাষাবাদ,
রাজা জমিদারদের খাজনা আদায়,
চৈত্রসংক্রান্তি পেরিয়ে
ব্যবসায়ীদের হালখাতা উৎসব
হিসেব নিকেশ হাল নাগাদ করণ,
বাঙালি জাতি, বাংলার ঐতিহ্য-ইতিহাস
তুলে ধরা হয় এ দিবসটা পালনের মাধ্যমে।

এদিন সাহিত্য-সংগীত, নাটক ও অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি, বাংলাদেশের জনগণ
আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে।

এদিনে লঙ্কা-ইলিশ সহ পান্তাভাত খাওয়া উৎসব, এসব-ই আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি,নিজস্ব উৎসব।

অতীতে- বাংলা ছিল কৃষিনির্ভর, স্বর্নিভর গ্রামসমষ্টি। বাংলার জনগণের প্রধান পেশা কৃষিকাজ- চাষাবাদ, বীজ বপন, পরিচর্যা, ফসল কাটা ও উত্তোলন, বীজ সংরক্ষণ ইত্যাদি কৃষিকর্ম নিয়ে- পালন হতো বর্ষবরণ উৎসব ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান।

এসব অনুষ্ঠান প্রকৃতি ভৌগলিক অবস্থান আমাদের কৃষি ব্যবসাবাণিজ্যের সাথে নিবিড় ভাবে সম্পর্কিত। অতীতে জাঁকজমক অনুষ্ঠান করে রাজা জমিদারা তাদের নির্দিষ্ট অংশ খাজনা নিত।

খাজনাদি আদায়ের সুবিধার্থে সম্রাট আকবরের উপদেষ্টা আমির ফতেহ উল্লাহ সিরাজী- চন্দ্র মাসের সাথে সমন্বয় করে সৌর মাস বাংলা সৌর বর্ষ, ১ বৈশাখ বছরের প্রথম দিন নির্ধারণ করেন।

জমিদার, রাজা, বাদশাহ’র সুবিধার্থে খাজনা আদায়, প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাদশাহ আকবর বাংলা নববর্ষের সূচনা করলেও পহেলা বৈশাখ উৎসব সেই যায়গায় স্থির থাকেনি। এখন তা বাঙালি গণসংস্কৃতি উৎসবে পরিনত হয়েছে।

সমাজবিজ্ঞানীদের ধারনা এর পূর্বে অগ্রহায়ণ বাংলা বর্ষের প্রথম মাস হিসাবে ধরা হতো।
অগ্র মানে প্রথম, হায়ণ মানে বছর,
অর্থাৎ বছরের প্রথম মাস।

এসময় আমন ধান ঘরে তোলার সময়
নবান্ন উৎসব করা হতো।
যা এখনও বিভিন্ন স্থানে প্রচলিত আছে।
পহেলা বৈশাখ পালন- নতুন নতুন আঙ্গিকে নব-নব রূপে এর প্রসারে ব্যাপকতা বাড়ছে।

গ্রাম থেকে মফস্বল, শহর সর্বত্র বাঙালী জাতি, বাংলাদেশের জনগণ এ অনুষ্ঠান পালনে অংশ নিচ্ছে। এতে আমাদের জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতি, দিনদিন বিকাশিত হচ্ছে।

Facebook Comments Box