আদমদিঘিতে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে ১০টি গ্রামের মানুষ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
আদমদিঘিতে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে ১০টি গ্রামের মানুষ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানের ভারত সফর নিশ্চিত করতে বিশেষ কূটনৈতিক বার্তা দিল্লির জর্ডানে ভিক্ষা করার সময় গ্রেপ্তার নারী, ব্যাগে মিলল ৫ লাখ টাকার বেশি বিদেশি মুদ্রা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মালামাল চুরির অভিযোগে সাবেক কর্মকর্তা আটক একাই ধরে রেখেছেন পূর্বপুরুষের শিল্প: কলসকাঠির শেষ মনসাঘট কারিগর সমীর পাল শ্রীলঙ্কায় ক্রিকেটারদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন কোচ সুমিত ফার্নান্দো উত্তরাখণ্ডে টানেলে পানি ও কাদামাটির ঢল: ৭ শ্রমিকের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩ মালয়েশিয়ায় জাল নথি তৈরির সিন্ডিকেট: ৫ বাংলাদেশি আটক ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন: স্বাধীন চিকিৎসা প্যানেল গঠনের দাবি হাকিমপুরের ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির গুরুতর অভিযোগ প্রেক্ষাপট: নেত্রকোনায় পিকআপ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৪

আদমদিঘিতে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে ১০টি গ্রামের মানুষ

আদমদীঘি(বগুড়া) থেকে হুমায়ুন আহম্মেদ
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৩
আদমদিঘিতে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে ১০ গ্রামের মানুষ

বগুড়ার আদমদিঘিতে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে ১০ট গ্রামের মান।

উপজেলার রক্তদহ বিলে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে ১০ গ্রামের মানুষ। যখন তখন ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনার।

রক্তদহ বিলের নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজ বন্ধ থাকায় এই অঞ্চলের প্রায় ১০/১২ টি গ্রামের মানুষ প্রবল ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে প্রায় দু সপ্তাহ ধরে। সাঁকো নিচে প্রবল পানির স্রোতে ।

সেই সাকো দিয়েএইচএসসি পরীক্ষার্থী, শিশু, বৃদ্ধসহ নানা শ্রেণির মানুষ চলাচল করছে। এলকাবাসি বলছে, যেকোন সময় এখানে বড় দুর্ঘটনার সৃষ্টি হতে পারে।

কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সাঁকোটি আরো ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে। এটি চলাচলের একদম অনুপোযোগী বলে জানালেন, সেই সাঁকো পারার পথচারীরা।

জানা গেছে, উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের ঐতিহাসিক রক্তদহ বিলের মূল খালের উপর ২০০৬ সালে সড়ক ও জনপদের তত্ববধানে ৬০.৯৬ মিটার একটি দৈঘ্য স্ট্রিল ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু কিছুদিন পর সেই ব্রিজের পাটাতন খুলে যাওয়া ও অনান্য কারণে ব্রিজটি চলাচলে অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে।

এই ব্রিজটি চালুর প্রায় ২০ বছর পর বগুড়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে সেই স্থানে আরেকটি আরসিসি ব্রিজের ( ঢালাই সেতু) কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু প্রবল পানির স্রোতের কারণে ব্রিজটি নির্মাণে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ওই স্থানের পাশ দিয়ে আরেকটি বিকল্প সড়ক নির্মাণ করতে শুরু করে, যেটি পানির প্রবল স্রোতে ভেঙে গেছে। পানির যেখানে প্রবল স্রোতে সেই স্থানে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছে, যা চলাচলে অনুপোযোগী।

সরজমিনে আজ (শুক্রবার ) ঐ সাঁকোর স্থানে গিয়ে দেখা যায় প্রবল পানির স্রোতের উপর দিয়ে সদ্যনির্মিত সাঁকোর উপর দিয়ে কিছু মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। সেই স্থানে একটা নৌকার ব্যবস্থা আছে।

কিন্তু অনেক মানুষের জন্য এবং প্রবল স্রোতে জন্য মানুষ সিটি ব্যবহার করতে চাচ্ছে না। আদমদীঘি ইউনিয়নের করজবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা , শিক্ষক নূর ইসলাম জানান, সেই ভাঙ্গাচুরা সাঁকো চলাচলে অনুপোযোগী হওয়ায় কারণে আমি অসুস্থ অবস্থায় নওগাঁ ডাক্তার দেখানোর জন্য টমটম করে যাওয়ার জন্য মাত্র ৫ দিনে ৩০০০ টাকা আমার খরচ হয়েছে।

দমদমা গ্রামের বাসিন্দা সাজেদুল ইসলাম চম্পা জানান, আজ প্রায় ১০/১২ দিন হলো এখানে প্রায় অচলাবস্থা একটা ভাঙা সাঁকোর কারণে। ঠিকাদার অথবা সওজের কাউকে এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি না।

বিষয়টি দুঃখজনক। এখানে অবস্থানরত সেই ব্রিজের ঠিকাদারের ম্যানেজার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, প্রচন্ড পানির প্রবল স্রোতের কারণে ব্রিজের কাজ বিলম্ব হচ্ছে। আর যে সাঁকো করা হয়েছে, সেটিও পানির স্রোতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

বগুড়া সওজ অফিস সূত্রে জানা গেছে , বর্তমানে রক্তদহ বিলের উপর যে ঢালাই ব্রিজ হচ্ছে সেটি তৈরি করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আমিনুল হক প্রাইভেট লিমিটেড। এটি খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকা।

আগামী জুন ২০২৩ সাল পর্যন্ত এটির তৈরির মেয়াদ শেষ। এ বিষয়ে বগুড়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ‌ আসাদুজ্জামান জানান, নির্মাণাধীন ব্রিজটি আমরা দ্রুত করে ফেলবো।

তাহলে এলাকাবাসীর কষ্ট স্থায়ীভাবে দুর হবে। বর্ষা মৌসুমের প্রবল পানির স্রোতে আমাদের তৈরি ডাইভারেশন সড়কটিও ভেঙে গেছে।

এ জন্য বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেটি যেন আরো মজবুত ভাবে করা হয়, সেটি আমি দেখব।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!