জর্ডানে ভিক্ষা করার সময় গ্রেপ্তার নারী, ব্যাগে মিলল ৫ লাখ টাকার বেশি বিদেশি মুদ্রা
- আপডেট সময় : ০২:৩০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
জর্ডানে ভিক্ষা করার সময় গ্রেপ্তার নারী, ব্যাগে মিলল ৫ লাখ টাকার বেশি বিদেশি মুদ্রা
জর্ডানের রাজধানী আম্মানের রাস্তায় ভিক্ষা করার সময় এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। গ্রেপ্তারের পর তার ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৬ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫৭ লাখ ৩১ হাজার ৮০০ টাকা। সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
জর্ডানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা পেত্রার তথ্য অনুযায়ী, ওই নারী পেশাদার ভিক্ষুক হিসেবে পরিচিত। সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, তিনি প্রতিদিন ভিক্ষা করে যে অর্থ সংগ্রহ করতেন, তা নিয়মিতভাবে বিদেশি মুদ্রায় রূপান্তর করে রাখতেন। তবে ওই নারীর জাতীয়তা বা কতদিন ধরে তিনি এই অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। বর্তমানে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পড়ুন>>প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মালামাল চুরির অভিযোগে সাবেক কর্মকর্তা আটক
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জর্ডানের সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় দেশবাসীর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাস্তায় ভিক্ষুকদের সরাসরি কোনো আর্থিক সহায়তা প্রদান করা উচিত নয়। অনেক সময় ভিক্ষুকরা অসুস্থতার ভান বা চরম দারিদ্র্যের মিথ্যা দাবি করে মানুষের সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা করে। অসহায়দের সাহায্য করতে চাইলে সরাসরি অর্থ না দিয়ে অনুমোদিত ও নিবন্ধিত দাতব্য সংস্থার মাধ্যমে সহায়তা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দেশজুড়ে ভিক্ষাবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় নিয়মিত পরিদর্শন দল পরিচালনা করছে। সন্দেহজনক কোনো ভিক্ষাবৃত্তির ঘটনা নজরে এলে তা দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য জনগণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পড়ুন>> নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের চারা গাছ, স্কুলে বেঞ্চ ও একইসাথে হতদরিদ্রের মাঝে চাল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন
উল্লেখ্য যে, জর্ডানে ভিক্ষাবৃত্তি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। জর্ডান টাইমসের ২০২৫ সালের মার্চ মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির দণ্ডবিধির ৩৮৯ ধারায় জনসমক্ষে ভিক্ষা চাওয়া বা অর্থ সংগ্রহ করা আইনত দণ্ডনীয়।
২০২২ সালে এই আইনটি আরও কঠোর করা হয়। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, ভিক্ষাবৃত্তির বিভিন্ন ধরন ও শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শারীরিক অক্ষমতার ভান করা, ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুকে ভিক্ষায় ব্যবহার করা, জীবিকার উৎস নয় এমন সামগ্রী প্রদর্শন করা এবং প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করা। মিথ্যা দাবির ভিত্তিতে দান বা অনুদান সংগ্রহ করাও এই আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
জর্ডান টাইমসের ২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশটিতে ভিক্ষাবৃত্তিকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
T/D/S/B
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ






















