প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মালামাল চুরির অভিযোগে সাবেক কর্মকর্তা আটক
- আপডেট সময় : ০১:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মালামাল চুরির অভিযোগে সাবেক কর্মকর্তা আটক
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মালামাল, গ্যাস সিলিন্ডার ও ট্রাঙ্ক বিনা অনুমতিতে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) আশরাফুল মামুনের (৪০) বিরুদ্ধে ধানমন্ডি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে ট্রাস্টের বর্তমান সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) রেজওয়ানা আক্তার জাহান বাদী হয়ে পেনাল কোডের ৩৮১ ধারায় এই মামলাটি (মামলা নম্বর: ৮) দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত আশরাফুল মামুনকে গ্রেফতার করেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আশরাফুল মামুন আগে অর্থ ও হিসাব শাখায় কর্মরত ছিলেন। গত ৬ আগস্ট তাকে সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে বদলি করা হলেও তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। এর পরিবর্তে তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই অফিসের বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেন।
পড়ুন>> মালয়েশিয়ায় জাল নথি তৈরির সিন্ডিকেট: ৫ বাংলাদেশি আটক
তদন্তে চুরির বেশ কিছু ঘটনার তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৫ জুলাই বিকাল ৫টার দিকে একটি কাভার্ড ভ্যানে করে ট্রাস্টের চারটি গ্যাস সিলিন্ডার সরিয়ে নেওয়া হয়। দায়িত্বরত আনসার সদস্য চালককে গন্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি গাবতলী যাওয়ার কথা জানান, তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আশরাফুল মামুন কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
পরবর্তীতে ৮ আগস্ট সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ছুটির দিনে আউটসোর্সিং গাড়িচালক মো. আবুল কালামকে নিয়ে ট্রাস্টের সরকারি গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো চ-১০-১৭০১) করে আশরাফুল মামুন তার বর্তমান ঠিকানায় যান। একই দিন দুপুর পৌনে ২টার দিকে তিনি পুনরায় ধানমন্ডি ১২/এ রোডের অফিসে ফিরে আসেন এবং পৌনে ৩টার দিকে বড় চারটি বস্তা ও ব্যাগভর্তি মালামাল গাড়িতে তুলে নিয়ে যান।
পড়ুন>>শ্রীলঙ্কায় ক্রিকেটারদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন কোচ সুমিত ফার্নান্দো
চুরির ধারাবাহিকতায় ১১ আগস্ট বিকাল ৫টার দিকে অফিসের করিডর থেকে একটি ট্রাঙ্ক ট্রাস্টের ড্রাইভার শামীম মৃধার মাধ্যমে ময়মনসিংহে অভিযুক্তের বাসায় পাঠানো হয় বলে আনসার সদস্য মনিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। ২৫ জুলাই থেকে ১১ আগস্টের মধ্যে দফায় দফায় এসব মালামাল সরানোর বিষয়টি নজরে এলে প্রথমে ১৩ আগস্ট ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৭৭৬) করা হয়। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ও আলোচনার ভিত্তিতে এটিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
বর্তমানে ধানমন্ডি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ মামলাটির তদন্ত করছেন। পরে দুপুর পৌনে ২ টায় পুনরায় ধানমন্ডি ১২/এ রোডস্থ ট্রাস্টের অফিসে এসে পৌনে ৩ টায় বড় ৪টি বস্তা ও কয়েকটি ব্যাগভর্তি মালামাল গাড়িতে তুলে অফিস ত্যাগ করেন।
যু//র
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ





















