মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা সাংবাদিক আবুল হাসনাত তুহিন: ৪ আগস্টের সেই রক্তাক্ত স্মৃতি, আজও স্বীকৃতির অপেক্ষায় : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা সাংবাদিক আবুল হাসনাত তুহিন: ৪ আগস্টের সেই রক্তাক্ত স্মৃতি, আজও স্বীকৃতির অপেক্ষায় : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নানিয়ারচরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইসলামি আন্দোলনের গণমিছিল সমাবেশ জুলাইয়ের চেতনায় রাণীশংকৈল: সংবর্ধিত হলেন জুলাই যোদ্ধারা, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভে ন্যায়বিচারের দাবি ভূরুঙ্গামারীর ধামেরহাটে ইয়াবাসহ আটক ব‍্যক্তির ১মাসের কারাদন্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ও সমাবেশ ভূরুঙ্গামারীতে জুলাই গণঅভ‍্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা ও পুরুস্কার বিতরণ দৌলতপুরে পদ্মার পাড় ধসে ২ শিশু নদীতে নিখোঁজ ১ ঠাকুরগাঁওয়ে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জুলাই শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনে মানুষের ঢল গণভোটের গণরায় কার্যকর ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে নাগেশ্বরীতে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল নাগেশ্বরীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের ২য় বর্ষপূর্তিতে বিএনপির গণসমাবেশ

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা সাংবাদিক আবুল হাসনাত তুহিন: ৪ আগস্টের সেই রক্তাক্ত স্মৃতি, আজও স্বীকৃতির অপেক্ষায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা সাংবাদিক আবুল হাসনাত তুহিন: ৪ আগস্টের সেই রক্তাক্ত স্মৃতি, আজও স্বীকৃতির অপেক্ষায়
৪ আগস্ট আন্দোলনে লাইভ সম্প্রচার করার সময় দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় অসুস্থ সাংবাদিক আবুল হাসনাত তুহিন।

 

 

 

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা সাংবাদিক আবুল হাসনাত তুহিন: ৪ আগস্টের সেই রক্তাক্ত স্মৃতি, আজও স্বীকৃতির অপেক্ষায়

 

৪ আগস্ট। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি আলোচিত ও বেদনাবিধুর দিন। সেই দিনের সহিংসতার স্মৃতি আজও তাড়া করে বেড়ায় ফেনীর সাংবাদিক আবুল হাসনাত তুহিনকে। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদের ওপর হামলার নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে নিজেই ভয়াবহ হামলার শিকার হন। প্রাণে বেঁচে ফিরলেও আজও তিনি মনে করেন, প্রকৃত ঘটনার সাক্ষী ও ভুক্তভোগী হিসেবে ন্যায্য স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

 

আবুল হাসনাত তুহিন জানান, ৪ আগস্ট ফেনীর এসএসকে সড়ক পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ছাত্রদের ওপর চলমান হামলার ঘটনা সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচার করছিলেন তিনি। একজন পেশাদার সংবাদকর্মী হিসেবে কোনো পক্ষ না নিয়ে ঘটনার বাস্তব চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরাই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য।

পড়ুন>>এইচএসসি উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীদের দিয়ে কাজ করানোর ভিডিও ভাইরাল

তার দাবি, লাইভ সম্প্রচারের একপর্যায়ে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার মাথায় পরপর আঘাত করে তাকে রাস্তায় ফেলে দেয়। এ সময় তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরে উপস্থিত পুলিশ সদস্য ও সহকর্মীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি প্রাণে বেঁচে ফিরলেও সেই দিনের শারীরিক ও মানসিক ক্ষত এখনো বহন করছেন।

আবুল হাসনাত তুহিনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিনের হামলার ঘটনা দেশের অন্তত ছয়টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়া বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজেও তার ওপর হামলার দৃশ্য সংরক্ষিত রয়েছে, যা ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

পড়ুন>>রাতের আঁধারে রহস্যময় বন্যপ্রাণীর তাণ্ডবে রাণীশংকৈলে আহত অন্তত ১০

তবে তার আক্ষেপ, সময়ের ব্যবধানে ইতিহাসের বাস্তবতা যেন ধীরে ধীরে আড়াল হতে বসেছে। তার অভিযোগ, যেসব ব্যক্তি ওই দিনের হামলার শিকারই হননি, তাদের কেউ কেউ নিজেদের “জুলাই যোদ্ধা” হিসেবে পরিচিত করার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, জীবনবাজি রেখে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা প্রকৃত ভুক্তভোগীরা এখনো যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি পাননি।

আরও পড়ুন>> সৈয়দপুরে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

তিনি বলেন, “আমি কোনো আর্থিক সুবিধা বা অর্থনৈতিক লাভের জন্য স্বীকৃতি চাই না। আমি চাই, একজন নিরপেক্ষ সাংবাদিক হিসেবে সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে যে হামলার শিকার হয়েছিলাম, সেই বাস্তবতার স্বীকৃতি। ইতিহাস যেন সত্যকে ধারণ করে, মিথ্যাকে নয়।”

আবুল হাসনাত তুহিনের মতে, ৪ আগস্টের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু মূল্যায়নের জন্য প্রকাশিত সংবাদ, ভিডিও ফুটেজ, হাসপাতালের চিকিৎসা নথি, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

তাহলেই প্রকৃত আহত, নির্যাতিত ও দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ইতিহাস বিকৃত হওয়ার আশঙ্কা কমবে।

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!