ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুদ্ধ-অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো সময় আমাদের নেই: তথ্যমন্ত্রী ১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে: আবিদ বিশ্ব বাণিজ্যকে ফের ঔপনিবেশিক মডেলে ফেরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: রেহমান সোবহান বিশ্বের রাজনীতিতে বাড়ছে এআই ব্যবহারের প্রবণতা মাদকব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ, আটক ১০ বৈশ্বিক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসন্ন: আলী রীয়াজ বিএনপি টাকা নিয়ে আ.লীগকে মিছিলের সুযোগ দিচ্ছে: এটিএম আজহারুল গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: ৬৭ শ্রমিক উদ্ধার আমরা এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী

বাড়ি থেকে তাড়িয়ে  দেয়া বৃদ্ধার ঠাঁই হলো হাসপাতালে

রংপুর থেকে হিমেল মিত্র
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩ ৩১১ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাড়ি থেকে তাড়িয়ে  দেয়া বৃদ্ধার ঠাঁই হলো হাসপাতালে।

বৃদ্ধা মা সকিলা বিবি (৭৫) জানান, তার ছেলে এবং ছেলের বউ হাতে কাপড়ের ব্যাগ ধরিয়ে দিয়ে একটি গাড়িতে উঠিয়ে দেন এবং চলে যেতে বলেন, আর ফিরে না আসার কথাও বলেন। বৃদ্ধার ঠিকানা হয় ঢাকা থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে হিলির একটি বাড়ির সামনে।

নিজের এবং সন্তানের নাম বলতে পারলেও, তিনি বলতে পারছেন না নিজের পুরো ঠিকানা। পরে তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আবু সায়েম মিয়া এবং গণমাধ্যম কর্মীরা।

হাতে কাপড়ের ব্যাগ ধরিয়ে দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া সেই বৃদ্ধা মা সকিলা বিবিকে (৭৫) দিনাজপুরের হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত রায় জানান, ৭৫ বছর বয়সী সেই বৃদ্ধার বিষয়ে সময় টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। আমি (২১ জুলাই) শুক্রবার বিষয়টি জেনেছি। জানার পর জেলা প্রশাসককে অবগত করেছি।

তাছাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকেও আমি বিষয়টি জানাই। সব থেকে বড় কথা বৃদ্ধা দীর্ঘ সাত দিন থেকে একই জায়গায় খেয়ে না খেয়ে অবস্থান করছেন।

তার শরীরের অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত যে কয়দিন বৃদ্ধার পরিবারের খোঁজ না পাওয়া যায়; সে কদিন তিনি হাসপাতালেই থাকবেন।

এ বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শ্যামল কুমার দাস জানান, নির্বাহী কর্মকর্তা সঙ্গে আলোচনা করেই ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৃদ্ধার বিষয়ে জানার পর আমি নিজেই মর্মাহত। তিনি হাসপাতালে থাকলে বেশ ভালো থাকবেন। বর্তমানে তার শরীর অনেক দুর্বল।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাড়ি থেকে তাড়িয়ে  দেয়া বৃদ্ধার ঠাঁই হলো হাসপাতালে

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩

বাড়ি থেকে তাড়িয়ে  দেয়া বৃদ্ধার ঠাঁই হলো হাসপাতালে।

বৃদ্ধা মা সকিলা বিবি (৭৫) জানান, তার ছেলে এবং ছেলের বউ হাতে কাপড়ের ব্যাগ ধরিয়ে দিয়ে একটি গাড়িতে উঠিয়ে দেন এবং চলে যেতে বলেন, আর ফিরে না আসার কথাও বলেন। বৃদ্ধার ঠিকানা হয় ঢাকা থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে হিলির একটি বাড়ির সামনে।

নিজের এবং সন্তানের নাম বলতে পারলেও, তিনি বলতে পারছেন না নিজের পুরো ঠিকানা। পরে তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আবু সায়েম মিয়া এবং গণমাধ্যম কর্মীরা।

হাতে কাপড়ের ব্যাগ ধরিয়ে দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া সেই বৃদ্ধা মা সকিলা বিবিকে (৭৫) দিনাজপুরের হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত রায় জানান, ৭৫ বছর বয়সী সেই বৃদ্ধার বিষয়ে সময় টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। আমি (২১ জুলাই) শুক্রবার বিষয়টি জেনেছি। জানার পর জেলা প্রশাসককে অবগত করেছি।

তাছাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকেও আমি বিষয়টি জানাই। সব থেকে বড় কথা বৃদ্ধা দীর্ঘ সাত দিন থেকে একই জায়গায় খেয়ে না খেয়ে অবস্থান করছেন।

তার শরীরের অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত যে কয়দিন বৃদ্ধার পরিবারের খোঁজ না পাওয়া যায়; সে কদিন তিনি হাসপাতালেই থাকবেন।

এ বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শ্যামল কুমার দাস জানান, নির্বাহী কর্মকর্তা সঙ্গে আলোচনা করেই ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৃদ্ধার বিষয়ে জানার পর আমি নিজেই মর্মাহত। তিনি হাসপাতালে থাকলে বেশ ভালো থাকবেন। বর্তমানে তার শরীর অনেক দুর্বল।

Facebook Comments Box