অনিয়ম অসঙ্গতি রেখেই দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
অনিয়ম অসঙ্গতি রেখেই দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দোহা মেট্রোর আল সাদ্দ স্টেশনে নতুন রূপ: শিল্পের ছোঁয়ায় সেজেছে উন্মুক্ত গ্যালারি খুলনায় তেহারী বিতরণ করে গ্রেপ্তার ২ যুবলীগ কর্মী ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু, সুনামির সতর্কতা প্রত্যাহার নতুন নয়, বিদ্যমান ক্রীড়া স্থাপনা স্বয়ংসম্পূর্ণ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত নেত্রী খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ: স্মরণ ও প্রার্থনায় বিএনপি জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পরেও বিচারের অপেক্ষায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা ও হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে স্থবির দেশের শিল্প খাত, উৎপাদন নেমেছে তলানিতে মিরাজের ফিফটি ও তাসকিনের দৃঢ়তায় দুইশ ছাড়াল বাংলাদেশের লিড ১৫ আগস্ট ঘিরে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা, রাজধানীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মী আটক

অনিয়ম অসঙ্গতি রেখেই দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন

ফেনী থেকে হাসনাত তুহিন
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
অনিয়ম অসঙ্গতি রেখেই দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন
অনিয়ম অসঙ্গতি রেখেই দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী।

 

 

অনিয়ম অসঙ্গতি রেখেই দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন

 

১৩ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভায় বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের এ নির্বাচনে সবক্ষেত্রেই রয়েছে অনিয়ম আর অসঙ্গতি।

 

 

সাবেক কমিটির মনগড়া ভোটার তালিকা প্রনয়ন ও ভূয়া ভোটা যুক্ত করাসহ ট্রেড লাইসেন্স থাকা সত্বেও একাধিক ব্যক্তিকে ভোটার অন্তর্ভূক্তি না করা একাদিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। উক্ত নির্বাচন কমিশন ও পরিচালনা পরিষদের বিরুদ্ধে।

 

 

সাবেক কমিটির সভাপতি আল মাহমুদ হাজারী এবং আবুল কালাম আজাদ ও অ্যাডভোকেট আসিক নামে এ তিন ব্যবসায়ী সমিতির গঠনতন্ত্র বিরোধী নানা অনিয়ম তুলে ধরে ফেনী জেলা প্রশাসক, সমাজ সেবা অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকতা ও দাগনভূঞা থানায় অভিযোগ ও উকিল নোটিশ দিয়েছেন।

পড়ুন>> ওসমান হাদি লাইফ সাপোর্টে

 

অভিযোগ গুলোতে দেখা যায়, সাবেক সভাপতি আল মাহমুদ হাজারী অভিযোগ করেন বর্তমান কমিটির সভাপতি পলাতক। ১৭ জনের কমিটিতে কমিটি চালায় ৩/৪ জনে। সুষ্ঠ নির্বাচন করার লক্ষ্যে গঠনতন্ত্র মোতাবেক ভোটার তালিকা প্রনয়ন করা হয়নি। নির্বাচন তফসিল ঘোষনার দিন ভোটার তালিকা দেখা যায়।

 

 

১৫ দিন আগে সমিতির অফিসের সামনে ভোটার তালিকা ঝুলানো থাকার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। যে কারনে কে ভোটার হইলো আর কে ভোটার হইলো না তা জানার সময় ও সুযোগ দেয়া হয়নি। এই ভাবে নানা অভিযোগ উল্লেখ করেন তিনি। অপরদিকে ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম সীমান্ত ট্রেডিং।

 

 

লাইসেন্স নং ১৯৮৯ এবং লাইসেন্স আইডি নং ০৩০১১০০১৪৮৯। তিনিও অভিযোগে উল্লেখ করেন,তিনি একজন বৈধ ব্যবসায়ী। তাকে ভেটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। উক্ত নির্বাচন সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র বিরোধী নির্বাচন। বর্তমান কমিটি তাদের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষে তাদের বিরোধী অংশের একাধিক ব্যবসায়ীকে ভোটার করা হয়নি।

 

 

আর এ জন্যই ভোটার হাল নাগাদ করে বাদ পড়া ব্যবসায়ীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে নির্বাচন দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন।
অপর দিকে এডভোকেট আশিক বিভিন্ন দপ্তরে উকিল নোটিশ পাঠিয়ে এর প্রতিকার চান।

পড়ুন>>দুই সপ্তাহ আগে হাদীর নির্বাচনী প্রচারণায় ছিল হামলাকারী

 

 

 

এই আন্দোলনে অভিযোগ কারি ব্যবসায়ীর সাথে রয়েছেন ব্যবসায়ী গোলাম মাওলানা ও বাবুলসহ অন্তত আরো ১০/১৫জন।

 

 

ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বৃহস্পতিবার একটি পরিপত্র পাঠান দাগনভূঞা উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তরে।

 

 

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু গঠনতন্ত্র যথাযথভাবে অনুসরন করা হয়নি,এমতাবস্থায় ভোটাধিকারের স্বার্থে একটি সুষ্ঠু ও বাধাহীন নির্বাচনের লক্ষে গঠনতন্ত্র অনুসরন পূর্বক গ্রহনযোগ ভোটার তালিকা প্রনয়ন ও প্রকাশ করে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানান। সমাজ সেবা অধিদপ্তরের এ আদেশে অমান্য করেই কিন্তু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহিদুল ইসলাম বলেন, যদি কোন অনিয়ম থাকে এর জন্য লাইভেলিটি সমাজ সেবার।

 

 

   নির্বাচন কমিশনের প্রধান আতাতুর্ক মডেল সরকারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন,ব্যবসায়ীদের এ নির্বাচনের অসংগতি রয়েছে। নির্বাচন কমিশন যারা গঠন করেছে তারা তার কাছে এ সব বিষয়ে গোপন করেছে। যে কারনে তিনি কমিশনের অপর দুই জন সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে দেখবেন বলে জানান।

 

 

 

তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায়,আপর দুইজন নির্বাচন কমিশনের মধ্যে একজন হচ্ছে নুর নবী দুলাল। যার ভোটার নং ০১ এবং অপরজন হচ্ছেন ইসমাইল কেরানী। দুইজনই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যবসায়ী। অথচ গঠন্তন্ত্রে উল্লেখ রয়েছে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন ব্যবসায়ী নির্বাচন কমিশন হতে পারবেনা।

 

 

অভিযোগ কারি ব্যবসায়ীরা বলেন, আমাদের অভিযোগ এর আলোকে কোন প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি সংশ্লিষ্ট দপ্তর, তাই আমরা মর্মাহত। হাইকোর্ট বন্ধ থাকায় আমরা আদালতে যেতে পারিনি, আদালত খোলা হলে আমরা সকল ডকুমেন্ট এর আলোকে হাইকোর্টে রিট করবো।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!