কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার হরিকেশ কানিপাড়া গ্রামের খামারী মোকলেছুর রহমান। প্রায় আড়াই বছর ধরে তার বসতবাড়িতে সন্তানের মতো লালনপালন করে বড় করেছেন শাহীওয়াল জাতের একটি ষাড় গরু। তার আদরের শাহীওয়াল এই ষাঁড় গরুটির তিনি নাম রেখেছেন ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’। এই ষাড় গরুটি বিক্রির জন্য ক্রেতা খুঁজছেন তিনি।
গরুটির বর্তমান ওজন ৬ মণ। আদরের ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ এর দাম ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা হাঁকিয়েছেন খামারী মোকলেছুর। ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র ২ দিন। চাহিদা মোতাবেক ক্রেতা মিললে ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’কে বিক্রি করতে চান তিনি।
খামারী মোকলেছুর রহমান-ববিতা আক্তার দম্পতি শাহীওয়াল জাতের এই গরুটি লালনপালন করেছেন শুরু থেকে। টিনশেডের মেঝেপাকা ঘরে রাখা হয় গরুটি। কুচকুচে কালো রঙের বিশাল দেহের এই শাহীওয়াল জাতের গরুটি দিনে প্রায় তিন শত টাকার খাবার খায়। প্রতিদিন গোসল করানো হয় গরুটিকে। পরিবারের সদস্যরা সারাক্ষণ গোয়ালঘরে পড়ে থাকেন যেন গরুটির দেখভাল ঠিকমতো হয়।
খামারী মোকলেছুর রহমান বলেন, এটি শাহীওয়াল জাতের একটি গরু। গায়ের রং কুচকুচে কালো হওয়ায় নাম রেখেছি ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’। গরুটি আমাদের পরিবারের সবার অত্যন্ত আদরের। গরুটির দাম হাঁকিয়েছি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ক্রেতা ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বলেছে। আর হাজার দশেক টাকা যোগ করে কেউ কিনতে চাইলে ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’কে বিক্রি করবো।
খামারীর স্ত্রী ববিতা আক্তার বলেন, অনেক যত্ন সহকারে সন্তানের মতো ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’কে লালন পালন করেছি। গরুটি ভিষণ রাগী তাই ধারে কাছে কেউ যেতে পারে না। আমি গলায় হাত বুলিয়ে শান্ত হয়। আদরের গরুটি বিক্রি করতে চাই।
স্থানীয় বাসিন্দা সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামের শাহীওয়াল জাতের গরুটি আমার প্রতিবেশী মোকলেছুর রহমানের। গরুটি অত্যন্ত তরতাজা ও চঞ্চল স্বভাবের এবং অনেক শক্তিশালী। ৪-৫ মিলেও অনেক সময় আটকানো যায় না। গরুটি বিক্রির ডাক তুলেছে খামারী মোকলেছুর। গরুটি ক্রেতা কিনে লাভবান হবে বলে আমি মনে করি।
Leave a Reply