স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআরআই প্রতিনিধিদলের বৈঠক, সাইবার আইন ও বুলিং নিয়ে আলোচনা
- আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআরআই প্রতিনিধিদলের বৈঠক, সাইবার আইন ও বুলিং নিয়ে আলোচনা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধিদল। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সাইবার অপরাধ ও অনলাইন বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়।
আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স। বৈঠকে আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর তাদের চলমান যুব নেতৃত্ব গঠন এবং সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন।
প্রতিনিধিদলের প্রধান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে ব্যাপক হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। এই ক্ষতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য সর্বসম্মত নীতি এবং একটি আইনগত সুরক্ষা ফ্রেমওয়ার্ক অত্যন্ত প্রয়োজন বলে তিনি অভিমত দেন।
বাকস্বাধীনতা ও নতুন সাইবার আইন প্রসঙ্গে মন্ত্রীর বক্তব্য
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়টিকে বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। দেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসংগত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকেরই মতপ্রকাশ এবং গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কারও চরিত্রহনন বা গালিগালাজ করা কখনোই এক বিষয় নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, এই আইনটি পরিমার্জনের লক্ষ্যে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, দেশের গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের বিভিন্ন অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত আইনের মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষিত রাখা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আইনের কোনো ধরনের অপব্যবহার যেন না হয়, সেটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
পড়ুন>>সিরীয় ভূখণ্ডে নেতানিয়াহুর প্রবেশ: তীব্র নিন্দা জানিয়ে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান কাতারের
সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করতে সরকার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের যেকোনো ইতিবাচক পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করবে বলে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ এবং রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























