ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শর্টকাট পথে অর্থ উপার্জনে ভালো আইনজীবী হওয়া সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্পের সঙ্গে কাতারের আমিরের ফোনালাপ মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় প্রাণ গেল তিন বাংলাদেশির চ্যাটজিপিটির ফিন্যান্স টুলে যুক্ত হলো ভয়েস সুবিধা মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, নিষেধাজ্ঞা নামমাত্র ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নতুন ইতিহাস হাসান মাহমুদের সিলেট টেস্ট: ৩৫৬ রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ওপেনিংয়ে নাঈম আলোক হেলথকেয়ারে ১০ জনের চাকরির সুযোগ, বেতন ২৫ হাজার টাকা পারস্য উপসাগরে কাতার উপকূলের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কোণঠাসা ওয়েস্ট ইন্ডিজ

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে গিয়ে আটকের ভয়ে সুপারের ভো-দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৩১৭ বার পড়া হয়েছে

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্ট সাইদুর রহমান

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে গিয়ে আটকের ভয়ে সুপারের ভো-দৌড়

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে গিয়ে অবস্থা বেগতিক দেখে দৌড় দিয়ে পালিয়ে গেছেন দাখিল মাদ্রাসার সুপার।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে গিয়ে দৌড়ে পালিয়েছেন এক মাদ্রাসা সুপার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। দৌড়ে পলায়ন করা ওই ব্যক্তি কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান বলে জানা গেছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানাযায়, কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য, জালিয়াতি, শিক্ষকদের হয়রানি, সরকারি বরাদ্দ আত্মসাৎ, মাদ্রাসার গাছ কেটে নিজের কাজে লাগানোসহ বেশ কিছু অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তদন্তাধীন রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এসব অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে ইউএনওকে এক বান্ডিল টাকা ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করেন।

 

এ ঘটনায় ইউএনও ক্ষিপ্ত হয়ে সুপারকে আটক করতে অফিস স্টাফদের তার কক্ষে ডাকেন। অফিস স্টাফরা কক্ষে পৌছার আগেই সুপার টাকা নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুপার মো. সাইদুর রহমান মুঠোফোনে ঘুষ প্রদান চেষ্টার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

 

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. গোলাম ফেরদৌস বলেন, কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তের জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। তিনি অফিসে এসে আমাকে টাকা দিতে চেয়েছেন। দ্রুত তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুপারের নামে জিডি করেছেন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে গিয়ে আটকের ভয়ে সুপারের ভো-দৌড়

আপডেট সময় : ০৬:০৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে গিয়ে আটকের ভয়ে সুপারের ভো-দৌড়

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে গিয়ে অবস্থা বেগতিক দেখে দৌড় দিয়ে পালিয়ে গেছেন দাখিল মাদ্রাসার সুপার।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে গিয়ে দৌড়ে পালিয়েছেন এক মাদ্রাসা সুপার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। দৌড়ে পলায়ন করা ওই ব্যক্তি কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান বলে জানা গেছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানাযায়, কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য, জালিয়াতি, শিক্ষকদের হয়রানি, সরকারি বরাদ্দ আত্মসাৎ, মাদ্রাসার গাছ কেটে নিজের কাজে লাগানোসহ বেশ কিছু অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তদন্তাধীন রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এসব অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে ইউএনওকে এক বান্ডিল টাকা ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করেন।

 

এ ঘটনায় ইউএনও ক্ষিপ্ত হয়ে সুপারকে আটক করতে অফিস স্টাফদের তার কক্ষে ডাকেন। অফিস স্টাফরা কক্ষে পৌছার আগেই সুপার টাকা নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুপার মো. সাইদুর রহমান মুঠোফোনে ঘুষ প্রদান চেষ্টার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

 

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. গোলাম ফেরদৌস বলেন, কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তের জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। তিনি অফিসে এসে আমাকে টাকা দিতে চেয়েছেন। দ্রুত তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুপারের নামে জিডি করেছেন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Facebook Comments Box