দিনাজপুরের সীতা কোট বৌদ্ধ বিহার হতে পারে পর্যটনকেন্দ্র
- আপডেট সময় : ০৪:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৪৭৪ বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার সীতা কোট বৌদ্ধ বিহার হতে পারে পর্যটনকেন্দ্র।
ঘুরে আসুন>>ভূরুঙ্গামারীর মীর জুমলা মসজিদ (Mir jumla mosque)
নজরদারির অভাবে দখল হয়ে যাচ্ছে প্রায় দেড় হাজার বছরের ঐতিহাসিক সীতাকোট বৌদ্ধবিহারের জমি ও সম্পদ। চুরি হচ্ছে এর ইটসহ মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নানা নির্দশনও।
এলাকাবাসী বলছেন, বিহারটির সংস্কার করে দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে। হতে পারে পর্যটন ও পিকনিক কর্নার, যা থেকে সরকারের রাজস্ব আয়ও আসবে। রক্ষা হবে দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার সীতাকোট ঘিরে রামের স্ত্রী সীতাকে নিয়ে কল্পকাহিনি থাকলেও এটি মূলত প্রাচীন বৌদ্ধবিহার। অনেকের বিশ্বাস, সীতাকে পঞ্চবটীর বনের গভীরে বনবাস দেন।
বনবাসে তার থাকার জন্য কুটীর হিসেবে এটি তৈরি করে দেয়া হয়েছিল। অনেকে তাই এটিকে ‘সীতার কোট’ নামেও চেনেন।
বেড়িয়ে আসুন>> ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন মসজিদ (People from both countries worship in the same mosque)
তবে ১৯৬৮ ও ১৯৭২ সালে দুই দফা আংশিক খননের পর দেখা গেছে, এটি একটি প্রাচীন বৌদ্ধবিহার ছিল। প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানকারী দলও জানান, সীতার সঙ্গে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে তার রাজ্যে ৮৪ হাজার স্ত’প স্তম্ভ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ওই সময় থেকে শুরু করে ষষ্ঠ শতাব্দী পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৌদ্ধধর্মের বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়, যার একটি আলোচিত এই সীতাকোট বৌদ্ধবিহার।
নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে পশ্চিম দিকে বিরামপুরগামী রাস্তার উত্তর পাশে গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ফতেপুর মাড়াষ মৌজার প্রায় ১ একর জমিতে স্থাপিত এই বিহার।

সমগ্র ইমারতের গাঁথুনি লম্বা মধ্যম ও ছোট ইট এবং চুন সুড়কির দ্বারা নির্মাণশৈলী দেখে গবেষকরা অনুমান করেন, এ বিহার পঞ্চম শতাব্দী বা এর কিছু আগে নির্মিত হয়।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























