মেক্সিকো কারও উপনিবেশ হবে না, ট্রাম্পের বিতর্কিত মানচিত্রের কড়া জবাব দিলেন শেইনবাউম : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
মেক্সিকো কারও উপনিবেশ হবে না, ট্রাম্পের বিতর্কিত মানচিত্রের কড়া জবাব দিলেন শেইনবাউম : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১৬ বছর পর বার্নাব্যুতে হোসে মরিনিও: রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে নতুন শুরুর অপেক্ষায় গণপূর্ত অধিদপ্তরে সুশাসন ও স্বচ্ছতা: প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে ফিরছে শৃঙ্খলা রাজধানীবাসীকেও লোডশেডিং মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রামের লেক সিটিতে পাহাড় দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু হংকংকে হারিয়ে ‘ভিক্টোরি প্যারেড’, তোপের মুখে পাকিস্তান দলের মেন্টর ওয়াহাব রিয়াজ সাক্ষরতা কেবল অক্ষরজ্ঞান নয়, টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন আর্থিক সাক্ষরতাও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানে ইউএনও’র ওপর হামলা বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনে ১১২ পদে নিয়োগ: আবেদনের নিয়ম ও সময়সীমা

মেক্সিকো কারও উপনিবেশ হবে না, ট্রাম্পের বিতর্কিত মানচিত্রের কড়া জবাব দিলেন শেইনবাউম

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেক্সিকোর ভূখণ্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার অধীনে প্রদর্শন করে একটি বিতর্কিত মানচিত্র পোস্ট করার পর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন যে, মেক্সিকো কখনো কোনো বিদেশি শক্তির উপনিবেশ বা প্রটেক্টরেট (সংরক্ষিত রাজ্য) নয় এবং ভবিষ্যতেও কখনো হবে না। এই ঘটনা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন করে উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।

সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অনড় শেইনবাউম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে শেইনবাউম মেক্সিকোর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি লেখেন, “আমাদের মাতৃভূমির এই মাসে আমরা আবারও পুনর্ব্যক্ত করছি যে, মেক্সিকো কোনো বিদেশি দেশের প্রটেক্টরেট নয়। অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বলছি- আমরা একটি মুক্ত, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র।” ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিপরীতে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট বারবার জাতীয় সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় নিজের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেছেন। একইসঙ্গে তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতাপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখার সরকারি ইচ্ছার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সীমান্ত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন

  • মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ১৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা দুই দেশের নিরাপত্তা ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • দেশ দুটি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তির (ইউএসএমসিএ) মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে গভীরভাবে যুক্ত, যা তাদের বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
  • ট্রাম্প প্রশাসন মাদকের অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে মেক্সিকোর ওপর ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করে আসছে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
  • এর আগেও ট্রাম্প মেক্সিকো উপসাগরকে তার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘আমেরিকা উপসাগর’ হিসেবে অভিহিত করে ভৌগোলিক নাম পরিবর্তনের বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন।

ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক পথ

নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং অভিবাসন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শেইনবাউমের এই মন্তব্য সামনে এলো। মেক্সিকো সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, যেকোনো দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা অবশ্যই পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। শেইনবাউম একদিকে ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে মেক্সিকোর স্বাধীনতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় কোনো আপস না করার নীতিতে অটল রয়েছেন। দুই দেশের এই জটিল সম্পর্কের সমীকরণ এবং ট্রাম্পের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। মেক্সিকোর জনগণের কাছে শেইনবাউমের এই কঠোর অবস্থান জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
error: Content is protected !!