রাঙামাটিতে শান্তি ফেরাতে দরকার আস্থা ও সংলাপের সেতুবন্ধন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
রাঙামাটিতে শান্তি ফেরাতে দরকার আস্থা ও সংলাপের সেতুবন্ধন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাঠের ঘাসে ছত্রাকের সংক্রমণ: লা লিগায় ওসাসুনা ও সেল্টা ভিগোর ম্যাচ স্থগিত সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কুয়ালালামপুরে ইমিগ্রেশনের বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ৭৭০ অভিবাসী সৌদি আরবের জিজান শোধনাগারে হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা রাজশাহীর চারঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের দুজনের প্রাণহানি একযোগে পুলিশের ৫৬ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো ৪৯ পুলিশ পরিদর্শককে ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে মুসলিম যাত্রীদের জন্য বিশেষ অজু স্টেশন তারেক রহমানের ভারত সফর নিশ্চিত করতে বিশেষ কূটনৈতিক বার্তা দিল্লির জর্ডানে ভিক্ষা করার সময় গ্রেপ্তার নারী, ব্যাগে মিলল ৫ লাখ টাকার বেশি বিদেশি মুদ্রা

রাঙামাটিতে শান্তি ফেরাতে দরকার আস্থা ও সংলাপের সেতুবন্ধন

মোখলেছুর রহমান
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
রাঙামাটিতে শান্তি ফেরাতে দরকার আস্থা ও সংলাপের সেতুবন্ধন
রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু।

 

 

রাঙামাটিতে শান্তি ফেরাতে দরকার আস্থা ও সংলাপের সেতুবন্ধন

 

রাঙামাটিতে শান্তি ফেরাতে দরকার আস্থা ও সংলাপের সেতুবন্ধন।
সাম্প্রতিক রাঙামাটিতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো আবারও প্রমাণ করেছে, পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থার ঘাটতি এবং পুরনো দ্বন্দ্ব এখনো মিটেনি। ছোট একটি উত্তেজনা মুহূর্তেই বড় সংঘর্ষে রূপ নিচ্ছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে নিরীহ মানুষকে। রাঙামাটির মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা শুধু স্থানীয় স্থিতিশীলতাকেই নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন প্রক্রিয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

 

 

প্রতিটি ঘটনায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত অপরিহার্য। দোষীদের আইনের আওতায় আনা হলে জনগণ ন্যায়বিচারে আস্থা পাবে, আর গুজব ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে। প্রশাসনের উচিত হবে দ্রুত পদক্ষেপের পাশাপাশি সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ মেটানো।

 

 

পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন জরুরি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের একত্রিত করে আলোচনার টেবিলে বসানো হলে দীর্ঘদিনের ভুল বোঝাবুঝি কমতে পারে।

পড়ুন>> দুর্গাপূজায় অসুর রূপে বিশ্বনেতা: শিল্প না রাজনীতি?

 

উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, উন্নয়ন প্রকল্পে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মতামত উপেক্ষিত হয়। ফলে তারা বঞ্চিত বোধ করে। প্রকৃত শান্তির জন্য উন্নয়নে অংশগ্রহণ ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

 

 

তরুণ প্রজন্মকে সুযোগ দিতে হবে। কর্মসংস্থানের অভাব এবং শিক্ষার ঘাটতি তাদের হতাশায় ঠেলে দেয়। পর্যটন, কৃষি ও স্থানীয় শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ালে শুধু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই নয়, সামাজিক স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত হবে।

 

 

রাঙামাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য শক্তি প্রয়োগ নয়, প্রয়োজন পারস্পরিক বোঝাপড়া, সংলাপ এবং ন্যায়বিচার। পাহাড়ি ও সমতলের মানুষের মধ্যে যদি আস্থা ও সহমর্মিতা তৈরি হয়, তবে সাম্প্রতিক উত্তেজনা আর দীর্ঘমেয়াদি অশান্তি কোনোভাবেই স্থায়ী হতে পারবে না। রাঙামাটি শান্তি ও সহাবস্থানের প্রতীক হয়ে উঠুক, এটাই প্রত্যাশা।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!