পঞ্চগড়ে যুবদল নেতার ওপর হামলা, উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি
- আপডেট সময় : ১১:৪২:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়ে যুবদল নেতার ওপর হামলা, উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি
পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও রাজনৈতিক সহিংসতায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। সোমবার রাতে শহরের সিনেমা হল মার্কেট ও দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় পঞ্চগড় পৌর যুবদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম ইরান এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ আহত হয়েছেন। ভুক্তভোগী উভয় নেতাই পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য নওশাদ জমিরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোমবার রাতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদের সমর্থকরা দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে সিনেমা হল মার্কেটে চা পান করতে যান।
পড়ুন>>ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্টে চট্টগ্রাম বাদ, সিলেটে খেলার পরিকল্পনা বিসিবির
এ সময় নওশাদ জমিরের সমর্থকদের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম ইরানকে মারধর করা হয় এবং অভিযোগ রয়েছে যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পেটে আঘাত করা হয়েছে। তাকে প্রথমে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রেজওয়ানুল্লাহ জানিয়েছেন, ইরানের পেটের নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এছাড়া হারুন অর রশিদকে বাজার থেকে ফেরার পথে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মারধর করা হয় এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পড়ুন>>বিদেশ ভ্রমণে কড়াকড়ি বাড়াল চীন
ভুক্তভোগী নেতা আরিফুল ইসলাম ইরান অভিযোগ করে বলেন, সিনেমা হল এলাকায় চা খাওয়ার সময় ময়নুল ইসলাম ও দীপুসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তিনি এই হামলার সুষ্ঠু বিচার এবং হামলাকারীদের সাংগঠনিক বহিষ্কার দাবি করেছেন।
অপরদিকে, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ইরান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে অকথ্য মন্তব্য করেছেন। এরই প্রতিবাদে তারা সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন, তবে হামলাকারীদের ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না বলে দাবি করেন তিনি।
সহিংসতার পেছনের কারণ হিসেবে জানা গেছে, গত রবিবার জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদের উপস্থিতিতে এক সভায় বোদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদের বক্তব্যকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোল সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় রবিবার রাতেই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছিলেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























