ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এআই যেন বেকারত্ব না বাড়ায়, সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মোংলা বন্দর হবে দেশের নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী মুচলেকা দিয়ে আদালত থেকে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি মানিকগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার: চার ভাইসহ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ও আটজনের যাবজ্জীবন খুলনায় চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রেল দরপত্র জালিয়াতির তদন্ত নিয়ে গড়িমসি, জানেন না সময়সীমা জিএম ব্রাজিল ফুটবলে নজিরবিহীন কাণ্ড, এক ম্যাচেই ৫৩ লাল কার্ড রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদনের শেষ ২৪ নভেম্বর কাতার মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তির পথে নতুন মোড় শিশু সাইফকে প্রাণনাশের দায়ে সৎমায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মোংলা বন্দর হবে দেশের নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি অচিরেই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হবে। বৃহস্পতিবার মোংলায় ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শুধু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

প্রকল্পের আওতায় ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি নতুন কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি বন্দরপ্রাঙ্গণে একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়লে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ সংলগ্ন অঞ্চলের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ স্থাপন এবং বন্দরের পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজকেও সরকার অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছে।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোংলা বন্দর এক্ষেত্রে পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। সার, খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে এই বন্দরের ভূমিকা জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে। নির্ধারিত সময়ে এসব কাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে এবং সারা দেশের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। তিনি বলেন, আজকের এ উদ্যোগ দেশের শিল্প-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে।বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে আস্থা এবং আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নে টেকসই আর্থসামাজিক মূল্য সংযোজন করবে।

প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, শুধুমাত্র অবকাঠামো নির্মাণই বড় কথা নয়, বরং বন্দরসেবার মান কতটা উন্নত হলো, পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কতটা সাশ্রয় হলো এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কতটা বাড়ল, তার ওপরই প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে। পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য অর্জনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই যাত্রায় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ ও নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস দিয়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিসহ আন্তর্জাতিক অংশীজনদের বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরকে আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে এবং এটিকে ফার্স্ট কলিং পোর্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার মানদণ্ড অনুসরণ, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে।পাশাপাশি বিপজ্জনক কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় অগ্নিনিরাপত্তা, প্রশিক্ষিত জনবল ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

শিল্পায়নের প্রসারে মোংলা ও এর আশপাশের এলাকায় দ্রুত গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একসময়ের সমৃদ্ধ এই অঞ্চলে শিল্পঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য। এছাড়া বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তিনি চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় খুলনা ও আশপাশের এলাকায় অনেক মিল-কারখানা ছিল। সরকার এ অঞ্চলের হারিয়ে যাওয়া শিল্পঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে চায়।

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কমলাপুর আইসিডি থেকে সরাসরি কনটেইনারবাহী ট্রেন মোংলা বন্দরে চলাচল করতে পারবে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার করবে। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দাই হেগেন বক্তব্য রাখেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোংলা বন্দর হবে দেশের নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি অচিরেই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হবে। বৃহস্পতিবার মোংলায় ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শুধু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

প্রকল্পের আওতায় ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি নতুন কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি বন্দরপ্রাঙ্গণে একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়লে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ সংলগ্ন অঞ্চলের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বহুগুণ বেড়ে যাবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ স্থাপন এবং বন্দরের পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজকেও সরকার অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছে।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোংলা বন্দর এক্ষেত্রে পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। সার, খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে এই বন্দরের ভূমিকা জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে। নির্ধারিত সময়ে এসব কাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে এবং সারা দেশের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। তিনি বলেন, আজকের এ উদ্যোগ দেশের শিল্প-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে।বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে আস্থা এবং আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নে টেকসই আর্থসামাজিক মূল্য সংযোজন করবে।

প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, শুধুমাত্র অবকাঠামো নির্মাণই বড় কথা নয়, বরং বন্দরসেবার মান কতটা উন্নত হলো, পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কতটা সাশ্রয় হলো এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কতটা বাড়ল, তার ওপরই প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে। পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য অর্জনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই যাত্রায় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ ও নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস দিয়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিসহ আন্তর্জাতিক অংশীজনদের বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরকে আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে এবং এটিকে ফার্স্ট কলিং পোর্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার মানদণ্ড অনুসরণ, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে।পাশাপাশি বিপজ্জনক কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় অগ্নিনিরাপত্তা, প্রশিক্ষিত জনবল ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

শিল্পায়নের প্রসারে মোংলা ও এর আশপাশের এলাকায় দ্রুত গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একসময়ের সমৃদ্ধ এই অঞ্চলে শিল্পঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য। এছাড়া বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তিনি চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় খুলনা ও আশপাশের এলাকায় অনেক মিল-কারখানা ছিল। সরকার এ অঞ্চলের হারিয়ে যাওয়া শিল্পঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে চায়।

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কমলাপুর আইসিডি থেকে সরাসরি কনটেইনারবাহী ট্রেন মোংলা বন্দরে চলাচল করতে পারবে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার করবে। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দাই হেগেন বক্তব্য রাখেন।

Facebook Comments Box