ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বৈশ্বিক শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মী পাঠাতে সরকারের মহাপরিকল্পনা নাঈমের ঘূর্ণিতে ২৪৫ রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে কমিটি গঠন মিরসরাইয়ে মৃতদের টাকা আত্মসাৎ, সাবেক চেয়ারম্যানসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হাদিস: ঘুমানোর আগে সুরা মুলক তিলাওয়াতের ফজিলত, কী বাবার পথেই হাঁটছেন তেজনারায়ন চন্দরপল, বাংলাদেশকে ভোগালেন ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ই-জোন এইচ আর এম-এ ১১৬৯ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ রেকর্ড রানের ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জয়ের পথে ইংল্যান্ড তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় বন্ধু দ্বীপকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিরাজগঞ্জ-৬ আসন পুনর্বহালের দাবি: জনসচেতনতা ও গণআন্দোলন

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) থেকে সাত্তার আব্বাসী সোহেল
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জ-৬ আসন পুনর্বহালের দাবি: জনসচেতনতা ও গণআন্দোলন।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সিরাজগঞ্জ-৬ আসন পুনর্বহালের দাবি: জনসচেতনতা ও গণআন্দোলন

 

 

সিরাজগঞ্জ জেলার সাবেক সংসদীয় আসন সিরাজগঞ্জ-৬ (চৌহালী উপজেলা এবং শাহজাদপুর উপজেলার পূর্ব অংশের চারটি ইউনিয়ন: কৈজুরী, সোনাতনী, জালালপুর ও খুকনী) পুনরুদ্ধারের দাবিতে গণসচেতনতা ও আন্দোলন তীব্রতর হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকরা একযোগে এ আসন পুনর্বহালের জন্য নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

 

 

১৯৭৩ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ জেলায় ৭টি সংসদীয় আসন ছিল, যার মধ্যে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনটি অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৮৪ সালের গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুসারে সীমানা নির্ধারণ করে ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ২০০৮ সালে ১/১১ সরকার ১৯৭৬ সালের সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের ৬ ধারা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র ৮ ধারা মোতাবেক আসন পুনর্বিন্যাস করে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনটি বিলুপ্ত করে এবং চৌহালী উপজেলাকে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি ও চৌহালী) আসনের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পড়ুন>>মানবিক সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক-জামায়াত আমির

 

স্বাধীনতার পর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার পূর্ব অংশে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করেন। কিন্তু ২০০৮ সালে আসন বিলুপ্তির পর থেকে গত ১৭ বছরে এ অঞ্চলের নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। যমুনা নদীর ভাঙনে চৌহালী উপজেলা পরিষদ বিলীন হয়েছে, হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন ও কর্মহীন হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তার অভাবে এ অঞ্চলের মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে।

 

 

সাবেক সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের বর্তমান আয়তন ৩০৫ বর্গ কিলোমিটার, জনসংখ্যা প্রায় ৩,০০,০০০ এবং ভোটার সংখ্যা ২,৩০,০০০। যদি ১৯৭৬ সালের সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের ৬ ধারা বিবেচনায় এনে আসন পুনর্বিন্যাস করা হয়, তাহলে এই আসনটি পুনর্বহাল করা সম্ভব। ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এ সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

এ আসন পুনরুদ্ধারের দাবিতে গণস্বাক্ষর অভিযান, মানববন্ধন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান এবং প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তারা এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

 

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের অনুরোধ, জনগণের অধিকার রক্ষায় সাবেক সিরাজগঞ্জ-৬ (চৌহালী ও শাহজাদপুরের পূর্ব অংশ) আসনটি পুনর্বহাল করে এ অঞ্চলের উন্নয়নের দ্বার উন্মুক্ত করা হোক।

 

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সিরাজগঞ্জ-৬ আসন পুনর্বহালের দাবি: জনসচেতনতা ও গণআন্দোলন

আপডেট সময় : ১০:০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫

 

সিরাজগঞ্জ-৬ আসন পুনর্বহালের দাবি: জনসচেতনতা ও গণআন্দোলন

 

 

সিরাজগঞ্জ জেলার সাবেক সংসদীয় আসন সিরাজগঞ্জ-৬ (চৌহালী উপজেলা এবং শাহজাদপুর উপজেলার পূর্ব অংশের চারটি ইউনিয়ন: কৈজুরী, সোনাতনী, জালালপুর ও খুকনী) পুনরুদ্ধারের দাবিতে গণসচেতনতা ও আন্দোলন তীব্রতর হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকরা একযোগে এ আসন পুনর্বহালের জন্য নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

 

 

১৯৭৩ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ জেলায় ৭টি সংসদীয় আসন ছিল, যার মধ্যে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনটি অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৮৪ সালের গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুসারে সীমানা নির্ধারণ করে ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ২০০৮ সালে ১/১১ সরকার ১৯৭৬ সালের সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের ৬ ধারা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র ৮ ধারা মোতাবেক আসন পুনর্বিন্যাস করে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনটি বিলুপ্ত করে এবং চৌহালী উপজেলাকে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি ও চৌহালী) আসনের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পড়ুন>>মানবিক সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক-জামায়াত আমির

 

স্বাধীনতার পর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার পূর্ব অংশে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করেন। কিন্তু ২০০৮ সালে আসন বিলুপ্তির পর থেকে গত ১৭ বছরে এ অঞ্চলের নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। যমুনা নদীর ভাঙনে চৌহালী উপজেলা পরিষদ বিলীন হয়েছে, হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন ও কর্মহীন হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তার অভাবে এ অঞ্চলের মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে।

 

 

সাবেক সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের বর্তমান আয়তন ৩০৫ বর্গ কিলোমিটার, জনসংখ্যা প্রায় ৩,০০,০০০ এবং ভোটার সংখ্যা ২,৩০,০০০। যদি ১৯৭৬ সালের সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের ৬ ধারা বিবেচনায় এনে আসন পুনর্বিন্যাস করা হয়, তাহলে এই আসনটি পুনর্বহাল করা সম্ভব। ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এ সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

এ আসন পুনরুদ্ধারের দাবিতে গণস্বাক্ষর অভিযান, মানববন্ধন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান এবং প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তারা এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

 

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের অনুরোধ, জনগণের অধিকার রক্ষায় সাবেক সিরাজগঞ্জ-৬ (চৌহালী ও শাহজাদপুরের পূর্ব অংশ) আসনটি পুনর্বহাল করে এ অঞ্চলের উন্নয়নের দ্বার উন্মুক্ত করা হোক।

 

 

 

 

Facebook Comments Box