ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের র‍্যালিতে ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ লেখা ব্যানার প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার কক্সবাজার বিমানবন্দর: রানওয়ে ও টার্মিনাল প্রস্তুত শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় ১০ দফা দাবি আদর্শ বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় ১৪২ পদে নিয়োগ, আবেদনের নিয়ম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি পরিদর্শনে মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি হাকিমপুরে ২২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই বসতভিটা হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বিধবা সুফিয়া গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো ইচ্ছা নেই: তথ্যমন্ত্রী রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানাল জামায়াত মালয়েশিয়ায় পাহাড়ধসে নিখোঁজ বাংলাদেশির সন্ধান মিলল

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের স্মরণসভা

ফাতিউস ফাহমিদ,ডেপুটি ম্যানেজার, অফিস অফ কমিউনিকেশন্স, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ১৯০৩৭ বার পড়া হয়েছে

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের স্মরণসভা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের স্মরণসভা

 

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার, ৫ই মার্চ ২০২৬, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ব্র্যাকের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন।

 

 

 

 

 

     গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

 

 

 

 

 

তিনি ইউক্রেন থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি শেষ করে দেশে ফিরে আসেন। এরপর ব্র্যাকে যোগ দেন। প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

 

 

সেই সময়ের কথা স্মরণ করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড. আহমেদ মুশতাক রাজা চৌধুরী বলেন, গবেষণার প্রতি ড. সালেহউদ্দীনের আগ্রহ ছিল অসাধারণ। ব্র্যাক যখন তার শুরুর সময় পার করছিল, তখন গবেষণাভিত্তিক কাজ এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

 

 

 

 

 

এসময় ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজেসের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ বলেন, ড. সালেহউদ্দীন শিক্ষার প্রতি ছিলেন গভীর অনুরাগী।

 

 

 

 

        তিনি সবসময় নতুন কিছু শিখতে চাইতেন। জীবনের শেষের দিকেও তিনি নতুন ভাষা শেখার আগ্রহ হারাননি। তিনি মান্দারিন ভাষা শেখেন এবং চীনেও দুই বছর ছিলেন। এরপর দেশে ফিরে এসে তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা শেখাতেন।

 

 

 

এসময় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব আর্কিটেকচার অ্যান্ড ডিজাইনের ডিন ফুয়াদ হাসান মল্লিক বলেন, একজন মৃৎশিল্পী যেমন কাদামাটি দিয়ে ধীরে ধীরে একটি আকৃতি তৈরি করেন, তেমনি ড. সালেহউদ্দীনও নিজের চিন্তা ও পরিকল্পনা দিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিকে গড়ে তুলেছিলেন। তিনি খুব সুন্দরভাবে মানুষের সঙ্গে মিশতে পারতেন।

 

 

 

স্মরণ সভায়  ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইমরান মতিন বলেন, ব্র্যাক এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শুরুর সময় তরুণদের বিকাশে ড. সালেহউদ্দীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর মতো ভালো মনের মানুষ আমাদের আরও দরকার।

 

 

 

 

তাঁর স্মৃতিচারণ করে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. ইরাম মরিয়ম বলেন, তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি সবার কাছে যেতেন, সবার কথা শুনতেন। তিনি দ্রুতই যেকোনো সমস্যার সমাধান করে দিতে পারতেন।

 

 

 

     স্মৃতিচারণ করে  ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির লার্নিং অ্যান্ড টিচিং ইনোভেশন সেন্টারের ডিরেক্টর প্রফেসর ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ড. সালেহউদ্দীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ছিলেন মানুষ এবং প্রতিষ্ঠান তৈরির কারিগর।

 

 

স্মরণসভা শেষে ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের রুহের মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন গোলাম সামদানী ফকির। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিস অফ কমিউনিকেশন্স এর ডিরেক্টর খায়রুল বাশার। স্মরণসভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ইফতার অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অফিস অফ কমিউনিকেশন্স ০৫-০৩-২০২৬ তারিখের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ‍্য জানানো হয়।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের স্মরণসভা

আপডেট সময় : ১১:০৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

 

 

 

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের স্মরণসভা

 

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার, ৫ই মার্চ ২০২৬, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ব্র্যাকের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন।

 

 

 

 

 

     গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

 

 

 

 

 

তিনি ইউক্রেন থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি শেষ করে দেশে ফিরে আসেন। এরপর ব্র্যাকে যোগ দেন। প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

 

 

সেই সময়ের কথা স্মরণ করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড. আহমেদ মুশতাক রাজা চৌধুরী বলেন, গবেষণার প্রতি ড. সালেহউদ্দীনের আগ্রহ ছিল অসাধারণ। ব্র্যাক যখন তার শুরুর সময় পার করছিল, তখন গবেষণাভিত্তিক কাজ এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

 

 

 

 

 

এসময় ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজেসের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ বলেন, ড. সালেহউদ্দীন শিক্ষার প্রতি ছিলেন গভীর অনুরাগী।

 

 

 

 

        তিনি সবসময় নতুন কিছু শিখতে চাইতেন। জীবনের শেষের দিকেও তিনি নতুন ভাষা শেখার আগ্রহ হারাননি। তিনি মান্দারিন ভাষা শেখেন এবং চীনেও দুই বছর ছিলেন। এরপর দেশে ফিরে এসে তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা শেখাতেন।

 

 

 

এসময় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব আর্কিটেকচার অ্যান্ড ডিজাইনের ডিন ফুয়াদ হাসান মল্লিক বলেন, একজন মৃৎশিল্পী যেমন কাদামাটি দিয়ে ধীরে ধীরে একটি আকৃতি তৈরি করেন, তেমনি ড. সালেহউদ্দীনও নিজের চিন্তা ও পরিকল্পনা দিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিকে গড়ে তুলেছিলেন। তিনি খুব সুন্দরভাবে মানুষের সঙ্গে মিশতে পারতেন।

 

 

 

স্মরণ সভায়  ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইমরান মতিন বলেন, ব্র্যাক এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শুরুর সময় তরুণদের বিকাশে ড. সালেহউদ্দীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর মতো ভালো মনের মানুষ আমাদের আরও দরকার।

 

 

 

 

তাঁর স্মৃতিচারণ করে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. ইরাম মরিয়ম বলেন, তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি সবার কাছে যেতেন, সবার কথা শুনতেন। তিনি দ্রুতই যেকোনো সমস্যার সমাধান করে দিতে পারতেন।

 

 

 

     স্মৃতিচারণ করে  ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির লার্নিং অ্যান্ড টিচিং ইনোভেশন সেন্টারের ডিরেক্টর প্রফেসর ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ড. সালেহউদ্দীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ছিলেন মানুষ এবং প্রতিষ্ঠান তৈরির কারিগর।

 

 

স্মরণসভা শেষে ড. সালেহউদ্দীন আহমেদের রুহের মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন গোলাম সামদানী ফকির। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিস অফ কমিউনিকেশন্স এর ডিরেক্টর খায়রুল বাশার। স্মরণসভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ইফতার অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অফিস অফ কমিউনিকেশন্স ০৫-০৩-২০২৬ তারিখের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ‍্য জানানো হয়।

 

 

 

Facebook Comments Box