বিরলের দুই প্রধান শিক্ষকসহ মোট ৩ শিক্ষকের পদত্যাগের দাবীতে ছাত্রজনতার আন্দোলন
- আপডেট সময় : ০৫:০২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
বিরলের দুই প্রধান শিক্ষকসহ মোট ৩ শিক্ষকের পদত্যাগের দাবীতে ছাত্রজনতার আন্দোলন
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৮ নম্বর ধর্মপুর ইউনিয়নের কামদেবপুর উচ্চ বিদ্যালের প্রধান শিক্ষক মো: সেলিম ও কামদেবপুর দাখিল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (সুপার) আবুল কাসেম সহ মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আব্দুল মজিদ এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে এই ৩ শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা।
২২ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) সকালে কয়েক শতাধিক বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এসে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবত অনুপস্থিত, স্বেচ্ছাচারিতা, বিদ্যালয়ে দলীয় প্রভাব বিস্তার, নিয়োগ বাণিজ্য সহ একাধিক অনিয়ম ও অভিযোগের ভিত্তিতে দুই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সহ মোট ৩ জন শিক্ষকের পদত্যাগের দাবী ১ দফা দাবীতে আন্দোলন শুরু করে।
এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর একটি টিম ও বিরল থানা পুলিশ উপস্থিত হয়। এছাড়াও এসময় ধর্মপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর ইসলাম উপস্থিত ছিলেন ।
পড়ুন>>বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন
পরে বর্তমান বিরল থানায় দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার মো: রফিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ছাত্রজনতার পক্ষে (ই,বি) ছাত্র মাহমুদুল হাসান, (রা,বি) ছাত্র সাঈদ আল সিহাব, (ঢা,বি) ছাত্র শাকিল রানা, ও জগতপুর কলেজের ছাত্র রাশেদুল ইসলাম এই ৪ জন সমন্বয়কের সাথে কথা বললে তারা জানায়, অবিলম্বে আমাদের এক দফা দাবী ৩ শিক্ষকের পদত্যাগসহ স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আমাদের নিকট বিভিন্ন লিখিত অভিযোগ দিয়েছে সে বিষয় গুলোর উপর বিবেচনা পূর্বক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনার দ্রুত সংষ্কার করতে হবে।
পড়ে নিন>>বাঁধের জলকপাট একা একাই খুলে গেছে- ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার মো: রফিক তাদের যৌক্তিক দাবী গুলো মেনে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে আশ্বাস দেন। এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেন। সমন্বয়রা দাখিল মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে বৈঠক করে প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ গুলো তাদের মাঝে তুলে তা দ্রুত সময়ের মধ্যে তাগিদ দিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে আজকের মতো আন্দোলন স্থগিত করে।
সমন্বয়রা জানায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ ও স্মারকলিপি জমা দিবো এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে থেকে আমাদের যে সমস্যা গুলোর কথা তারা লিখিত ভাবে জানিয়েছেন আমরা শিক্ষকদের অবগত করেছি এবং তা দ্রুত সমাধানের তাগিদ দিয়েছি। আমাদের এক দফা দাবি দুই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও একজন সহকারী শিক্ষকের পদত্যাগ ও ছাত্রছাত্রীদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগের দ্রুত সমাধান না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে দুই শিক্ষক এবিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি একজন শিক্ষক জানিয়েছেন আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে আমি মনে করি তা একটি মহল উদ্দেশ্যমূলক ছাত্র জনতাকে ব্যবহার করছে। অভিযোগের বিষয়ে সঠিক তদন্ত হলে সকল সত্যি বের হয়ে আসবে।


























