ফেনীতে পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, প্রস্তুত প্রশাসন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ফেনীতে পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, প্রস্তুত প্রশাসন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন মৌলভীবাজারের রাজনগরে চা শ্রমিক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু ভূরুঙ্গামারী মহিলা কলেজে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী পালন অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফরে যাবেন না প্রধানমন্ত্রী, ঢাকার অবস্থান স্পষ্ট প্রতারণার অভিযোগে সেলেনা গোমেজের স্টার্টআপ ওয়ান্ডারমাইন্ডের বিরুদ্ধে মামলা নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক জয়: বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে স্তব্ধ বিশ্ব ক্রিকেট বাংলাদেশের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অপরিকল্পিত পদক্ষেপ দায়ী: প্রধানমন্ত্রী তিন ইরানি পাইলট আটকের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিল কাতার

ফেনীতে পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, প্রস্তুত প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫
ফেনীতে পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা

 

 

ফেনীতে পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, প্রস্তুত প্রশাসন

 

ফেনীতে পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, প্রস্তুত প্রশাসন।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারি বর্ষণের ফলে ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জনদুর্ভোগ।

জানা গেছে, ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে আসা পানির চাপে মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর অন্তত ১০টি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে গেছে। ফলে আশপাশের গ্রামগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

 

মুহুরী নদী পরশুরাম পয়েন্টে ১৩ দশমিক ৩৪ মিটার এবং সিলোনিয়া নদী সুবার বাজার পয়েন্টে ১০ দশমিক ৭৮ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা বিপৎসীমার অনেক ওপরে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

 

 

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ফুলগাজী, পরশুরাম ও সদর উপজেলায় মোট ১৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ফুলগাজীতে ৯৯টি, পরশুরামে ৩২টি এবং সদরে ২২টি কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

 

 

বন্যাদুর্গতদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৪০০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১২০ মেট্রিক টন চাল। এছাড়া, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ১৩৩ জন মানুষকে রান্না করা ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সহায়তায় নিয়োজিত রয়েছে ২ হাজার ৫৪৭ জন স্বেচ্ছাসেবক।

 

 

   জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান মঙ্গলবার রাতেই ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

 

 

ফেনী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, এই অতি বৃষ্টিপাত আরও ১২০ ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকবে এবং ১২ জুলাইয়ের পর থেকে কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বন্যা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইসমাইল হোসেনকে প্রধান করে ১১ সদস্যের একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখায় ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। যে কেউ জরুরি প্রয়োজনে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন: 📞 ০১৮৯৮৪৪৪৫০০, ০১৩৩৬৫৮৬৬৯৩।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!