প্রজ্ঞাপন জারি হলে জুলাই মাস থেকে প্রাপ্য অতিরিক্ত অর্থ একসঙ্গেই বকেয়া হিসেবেই পাবেন সরকারি চাকুরীজীবিরা
- আপডেট সময় : ০৪:৩৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
প্রজ্ঞাপন জারি হলে জুলাই মাস থেকে প্রাপ্য অতিরিক্ত অর্থ একসঙ্গেই বকেয়া হিসেবেই পাবেন সরকারি চাকুরীজীবিরা
নবম জাতীয় পে-স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকরের ঘোষণা থাকলেও এখনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আপাতত পুরোনো বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন।
তবে অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে প্রজ্ঞাপন জারি হলে জুলাই মাস থেকে প্রাপ্য অতিরিক্ত অর্থ একসঙ্গেই বকেয়া (এরিয়ার) হিসেবে পরিশোধ করা হবে।
পড়ুন >> বিরলে সাবেক স্বামীর পেট্রোল হামলায় দুই সন্তানের জননীর মর্মান্তিক মৃত্যু: ঘাতক আটক
অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই কিছুটা সময় লাগছে।
সে কারণে ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার ঘোষণা থাকলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখনো পুরোনো কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। নতুন প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর জুলাই মাস থেকে প্রাপ্য অতিরিক্ত অর্থ এরিয়ার হিসেবে পরিশোধ করা হবে।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে মন্ত্রিসভার অনুমোদন, বিভিন্ন খাতের জন্য পৃথক আদেশ প্রস্তুত, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং, বিধিবদ্ধ আদেশ (এসআরও) নম্বর গ্রহণ এবং সরকারি মুদ্রণালয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশসহ কয়েকটি আনুষ্ঠানিক ধাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন বেতন কার্যকর করা সম্ভব হবে না।
গত বুধবার সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ নিয়ে এখনো কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে তা দ্রুত মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
পড়ুপ>>ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে গাঁজা, গাঁজা গাছ উদ্ধার ও গাঁজা চাষি গ্রেপ্তার
মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে প্রজ্ঞাপন জারির কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ঋণের সঙ্গে নতুন বেতনকাঠামোর কোনো সম্পর্ক নেই। কাজ এগিয়ে চলছে এবং প্রজ্ঞাপন জারিতে বেশি সময় লাগবে না।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন একটি দীর্ঘ প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। প্রথমে বেতন কমিশন গঠন এবং কমিশনের প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
এরপর সেই প্রতিবেদন পাওয়ার পর সচিব কমিটি গঠনের প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কমিটি গঠন করার পর একাধিক বৈঠকে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে নিজেদের সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
আরও পড়ুন>> বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের পোগলদিঘা ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
অন্যদিকে আইএমএফের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ভর্তুকি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সরকারের ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু সেই তুলনায় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি পিছিয়ে রয়েছে। ধারাবাহিক মূল্যস্ফীতি ও সীমিত আর্থিক সক্ষমতার কারণে এখনই নতুন পে-স্কেল চালু করলে অতিরিক্ত আর্থিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আগামী অক্টোবরে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। রাজস্ব ঘাটতি ও আর্থিক চাপের বিষয়টি উল্লেখ করে আইএমএফ নতুন পে-স্কেল অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























