নীলফামারীতে ১০টি সোনারবারসহ ডিএনসির সদস্য গ্রেফতার।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আটক চোরাচালানকারী আসামীর কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ৩০ টি সোনার বিস্কুটের মধ্যে ১০ টি সোনার বিস্কিট আত্মসাৎ করায় নীলফামারী মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সিপাহী মেহেদী হাসান (৩২) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পরে তাকে নীলফামারী আদালতে দেয়া হলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে।
গ্রেফতার সিপাহী মেহেদী হাসান দিনাজপুরের শীবপুর মোল্লাপাড়ার হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে কর্মরত।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১১ ফেব্রুয়ারী সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের কামারপুকুর বাজার এলাকায় ঢাকা থেকে আগত সাগরিকা এক্সপ্রেস নামের একটি নৈশকোচে অভিযান চালায়।
আটক সোনা চোরাচালানকারীরা হলো মানিকগঞ্জ জেলার সিংঙ্গাইরের সমন আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (২৫) ও একই এলাকার নুরুলের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ (২৬)।
পরে থানায় তল্লাশিকালে মোহাম্মদ উল্লাহর কাছ থেকে আরও ৫ টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। এগুলো তাদের কোমড়ে পলিথিন দিয়ে মোড়ানো ছিল। উদ্ধারকৃত সোনার ওজন ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম এবং মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা।
এদিকে আসামীদের রিমান্ডে নেয়া হলে গ্রেফতারকৃত চোরাচালানী মোহাম্মদ উল্লাহ জানায় তাদের কাছে ১৫ টি করে মোট ৩০ টি সোনার বিস্কিট ছিল, যা ডিএনসি উদ্ধার করেছে।
তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, মোহাম্মদ উল্লাহর কাছ থেকে পাওয়া ১৫ টি সোনার বিস্কিটের মধ্যে ১০টি সরিয়ে ফেলে সিপাহি মেহেদী হাসান।
পরে সেগুলো মোহাম্মদ উল্লাহর বাবা নুরুল হকের সাথে যোগাযোগ করে অর্থের বিনিময়ে ফেরত দেয়া হয়েছে।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন, আসামীদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ৩০ টি সোনার বারের কথা বেড়িয়ে আসে।
সেই ভিত্তিতে মেহেদী হাসান কে আটক করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
Leave a Reply