ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাকসুর ধারাবাহিকতা রক্ষায় দ্রুত তফসিল ঘোষণার দাবি জাতীয় ছাত্রশক্তির দিল্লিতে নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন মার্ক উড ভূমিদস্যুদের হাত থেকে পার্ক রক্ষায় স্বচ্ছতা জরুরি জাপানের কাছে হারে কাবাডিতে পদকের স্বপ্ন প্রায় শেষ সীমান্ত ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদনের আহ্বান গাজায় অর্থ সহায়তা নিয়ে অপপ্রচারের কড়া জবাব দিল কাতার অনুমোদন ছাড়াই সিলেট-তামাবিল সড়কে কাটা হচ্ছে শত শত গাছ বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী ফ্রান্স জাতিসংঘে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ধামইরহাটে আগাছা নাশক স্প্রে করে ১৮ বিঘা জমির বীজতলা নষ্টের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

ধামইরহাটে আগাছা নাশক স্প্রে করে ১৮ বিঘা জমির বীজতলা নষ্টের অভিযোগ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁর ধামইরহাটে আপন ভাই-ভাতিজার বিরুদ্ধে ১৮ বিঘা জমির বীজতলা নষ্ট করার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্ষতিকারক রাসায়নিক স্প্রে করে শত্রুতাবশত এই কর্মকান্ড চালিয়েছেন আপনজন নামক প্রতিপক্ষরা।

এতে ভুক্তভোগীর প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবী করেন ভুক্তভোগী ইসমাইল হোসেন। উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নে নানাইচ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ধামইরহাট থানার অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে  উপজেলার মৃত ছফির উদ্দিনের দুই ছেলে ইসমাইল হোসেন ও আবু বক্করের পরিবারের সাথে তুচ্ছ একটি ঘটনা নিয়ে মারামারি ও পরবর্তীতে কোর্টে মামলায় উভয় পরিবারে শত্রুতার সৃষ্টি হয়। পড়ুন>>ফাল্গুন মাসের কৃষি কাজ

মামলা দিয়ে ইসমাইল হোসেন ও তার ছেলেকে হাজত বাস করিয়েছেন প্রতিপক্ষ আবু বক্কর ও তার ছেলেরা। গত ৭ ফেব্রুয়ারী ইসমাইল হোসেন ও তার ছেলেরা জমিতে পানি দিতে আসাকালে ১৮ বিঘা জমির জন্য রোপন করা বীজ তলার পাশ দিয়ে প্রতিপক্ষ সামসুজ্জামান ও ফারুককে বিষ ছিটানো স্প্রে মেশিন নিয়ে যেতে দেখে, ইতিপূর্বেও তাদের হুমকিও দিয়ে আসছিল প্রতিপক্ষরা। জেনে নিন>> সুপারি চাষ পদ্ধতি

১ দিন পরেই বীজতলা বিবর্ণ হয়ে গেলে ভুক্তভোগী ইসমাইল হোসেন ধামইরহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিবাদী সামসুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের সাথে যেহেতু দ্বন্দ রয়েছে সেহেতু আমাদের দোষারোপ করতেই পারে, তবে আমরা কারও বীজতলায় আগাছা নাষক দেইনি বা কে দিয়েছে তাও আমরা জানিনা।’

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সোলাইমান জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বীজতলা নষ্ট হতে দেখেছি, এবং বিষয়টি আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

ধামইরহাট থানার ওসি মো. মোজাম্মেল হক কাজী জানান, বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত ও স্বাক্ষ্য-প্রমান সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধামইরহাটে আগাছা নাশক স্প্রে করে ১৮ বিঘা জমির বীজতলা নষ্টের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নওগাঁর ধামইরহাটে আপন ভাই-ভাতিজার বিরুদ্ধে ১৮ বিঘা জমির বীজতলা নষ্ট করার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্ষতিকারক রাসায়নিক স্প্রে করে শত্রুতাবশত এই কর্মকান্ড চালিয়েছেন আপনজন নামক প্রতিপক্ষরা।

এতে ভুক্তভোগীর প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবী করেন ভুক্তভোগী ইসমাইল হোসেন। উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নে নানাইচ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ধামইরহাট থানার অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে  উপজেলার মৃত ছফির উদ্দিনের দুই ছেলে ইসমাইল হোসেন ও আবু বক্করের পরিবারের সাথে তুচ্ছ একটি ঘটনা নিয়ে মারামারি ও পরবর্তীতে কোর্টে মামলায় উভয় পরিবারে শত্রুতার সৃষ্টি হয়। পড়ুন>>ফাল্গুন মাসের কৃষি কাজ

মামলা দিয়ে ইসমাইল হোসেন ও তার ছেলেকে হাজত বাস করিয়েছেন প্রতিপক্ষ আবু বক্কর ও তার ছেলেরা। গত ৭ ফেব্রুয়ারী ইসমাইল হোসেন ও তার ছেলেরা জমিতে পানি দিতে আসাকালে ১৮ বিঘা জমির জন্য রোপন করা বীজ তলার পাশ দিয়ে প্রতিপক্ষ সামসুজ্জামান ও ফারুককে বিষ ছিটানো স্প্রে মেশিন নিয়ে যেতে দেখে, ইতিপূর্বেও তাদের হুমকিও দিয়ে আসছিল প্রতিপক্ষরা। জেনে নিন>> সুপারি চাষ পদ্ধতি

১ দিন পরেই বীজতলা বিবর্ণ হয়ে গেলে ভুক্তভোগী ইসমাইল হোসেন ধামইরহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিবাদী সামসুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের সাথে যেহেতু দ্বন্দ রয়েছে সেহেতু আমাদের দোষারোপ করতেই পারে, তবে আমরা কারও বীজতলায় আগাছা নাষক দেইনি বা কে দিয়েছে তাও আমরা জানিনা।’

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সোলাইমান জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বীজতলা নষ্ট হতে দেখেছি, এবং বিষয়টি আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

ধামইরহাট থানার ওসি মো. মোজাম্মেল হক কাজী জানান, বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত ও স্বাক্ষ্য-প্রমান সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box