দাদিকে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় খুলনায় কলেজছাত্রের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
দাদিকে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় খুলনায় কলেজছাত্রের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে আদালতের মৃত্যুদণ্ডের রায় দাদিকে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় খুলনায় কলেজছাত্রের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাভারে চারতলা ভবন ঘিরে সিটিটিসির অভিযান, ভেতরে বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জামের তথ্য জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়লেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাউনিয়ায় এলজিইডির উদ্যোগে রাস্তার ধারে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ দাগনভূঞায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের মতবিনিময় গাইবান্ধায় নবজাতক চুরির অভিযোগে দম্পতি কারাগারে এসএসসিতে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ রাজিবপুরে হাসপাতালের ওষুধ পোড়ানোর অভিযোগ: টিএইচও কে অবরুদ্ধ করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ফিডে বিপাকে ঠাকুরগাঁওয়ের ৩২ খামারি: ৩০–৪০ লাখ টাকা ক্ষতি

দাদিকে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় খুলনায় কলেজছাত্রের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

খুলনায় দাদিকে হত্যার দায়ে কলেজছাত্র মো. খলিল মোড়ল ওরফে ইরফানকে (২১) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মাজাহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ইরফান পাইকগাছা উপজেলার শ্রীকন্ঠপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মো. কামরুল মোড়লের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ইরফান ছাত্র হলেও মাদকাসক্ত ছিল এবং নেশার টাকার জন্য প্রায়ই তার দাদিকে মারধর করত। ঘটনার দিন ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর সকালে নেশার টাকার জন্য সে বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। দুপুর ১২টার দিকে ডাব পাড়ার জন্য গাছে ওঠার সময় দাদি তাকে বাধা দেন। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ধারালো দা দিয়ে দাদিকে আঘাত করে ইরফান পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার দাদির মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে ফুলি বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (অপা) দেবাশীষ দাশ অভিযুক্ত ইরফানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র দায়রা জজ মশিউর রহমান চৌধুরীর আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় প্রদান করলেন।

ফলে ইরফানকে পুলিশে ধরিয়ে দেয় তার বাবা।

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা || রাইজিংবিডি.

আদলতের সূত্র জানান, ইরফান ছাত্র হলেও খারাপ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় প্রতিবাদ করলে দাদির ওপর চলত নির্যাতন।

পরবর্তীতে মা ইরফানকে পুলিশের কাছে থেকে ছাড়িয়ে আনে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!