
দরিদ্র ঘরে জন্ম আফরোজা আক্তার মাফি’র। নতুন বই কিনে পড়ালেখা করতে পারেনি সে। বন্ধুদের কাছে ধার করে নেওয়া বই দিয়ে সে লেখা পড়া করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
একবেলা খাবার জুটলেও আরেক বেলা খাবার জুটতো না মাফির ভাগ্যে। ঈদে ছাড়া নতুন জামা উঠতো না তার গায়ে। দরিদ্রতা আর নানা প্রতিকুলতার সাথে যুদ্ধ করে কাউনিয়া মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সে জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ -৫ পেয়েছে।
তাছাড়াও বাকী দু’বোন সহ তার লেখা পড়ার খরচ জোগাতে হিমসিম খেতে হয় তার পিতাকে। মাফির পিতা আনোয়ার হোসেন বলেন আগে আমি একাই ৪ শ’৫০টি পত্রিকা বিক্রি করতাম এখন সে জায়গায় পত্রিকা বিক্রি করছি মাত্র ২ শ’ ১০ টি।
এখন পাঠক অনেক কমে গেছে। এখন সবাই অলনাইনে পত্রিকা পড়েন। তাই প্রিন্ট পত্রিকার কাটতি অনেক গেছে। তাই আমার রোজকারও কমে গেছে অর্ধেকে। আমার ৩ মেয়ে আমরা ২জন সহ আমাদের ৫ জনের সংসার।
কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরুণে বড় বাধা দারিদ্র্যতা। ডাক্তারী পড়ার অর্থের যোগান হবে কি ভাবে? এত টাকা আমরা পাবো কোথায় কে এগিয়ে আসবে আমাদের মেয়ের স্বপ্ন পূরুণে।
এ চিন্তায় বিভোর মাফি’র পিতা-মাতা। মাফি’র পিতা মাতা মেয়ের স্বপ্ন পূরণে বিত্তবান মানুষের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন