কুড়িগ্রামের যাত্রাপুর ইউনিয়নের গারুহাড়া এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদীতে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। সকালে স্থানীয়রা নদীতে ভাসতে থাকা একটি কলাগাছের তৈরি ভেলা দেখতে পান, যার ওপরে ছিল এক শিশুর নিথর দেহ। সেইসঙ্গে ছিল একটি কাগজ, যেখানে শিশুটির ছবি ও পরিচয়পত্রসদৃশ তথ্য লেখা ছিল।
স্থানীয়রা জানান, তারা প্রথমে ভেলাটিকে দূর থেকে দেখতে পান এবং তা তীরে ভেড়ালে হৃদয়বিদারক দৃশ্যটি সামনে আসে। শিশুটির পরিচয়পত্রে জানা যায়, সে ভারতের আসামের বাসিন্দা। তার বাবা-মায়ের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য কলাগাছের ভেলায় আটকানো একটি বড় কাগজে স্পষ্টভাবে লেখা ছিল। তবে কেন এবং কি কারণে লাশটি ভেসে দেয়া হয়েছিল তা কাহারো বোধগম্য হয়নি।
এই করুণ ঘটনা ও শিশুটির ছবি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গেলে শোনা যায়,তারা বলে, যে মানুষ এই কাজটি করেছে সে কিভাবে পারলো এই ছোট শিশুর লাশটি এভাবে নদীতে ভাসিয়ে দিতে, মানুষের মনুষ্যত্ববোধ আজ কোথায়??
একাব্বর নামের এক বৃদ্ধ জানান, সাপের কামড়ে মৃত ব্যক্তিকে বেঁচে ফিরে আসার আশায় নাম ঠিকানা লিখে কলাগাছের ভেলায় এভাবেই নদীতে ভেসে দেয়া হত।
Leave a Reply