জমিসংক্রান্ত বিরোধে জলঢাকায় আগাছানাশক প্রয়োগে ধান ক্ষেত ধ্বংসের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১১:০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
জমিসংক্রান্ত বিরোধে জলঢাকায় আগাছানাশক প্রয়োগে ধান ক্ষেত ধ্বংসের অভিযোগ
নীলফামারীর জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আগাছানাশক প্রয়োগ করে রোপণকৃত ধান ক্ষেত ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার রাতে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের রাজবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিমুলবাড়ী এলাকার মৃত তরী মামুদের ছেলে আলাল হোসেনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী রাজবাড়ী এলাকার মৃত ননী গোপাল রায়ের ছেলে অনাথ চন্দ্র রায়ের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।
২০১০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি (দলিল নং ১৫০০/১০) অনাথ চন্দ্র রায় বিএস ৩৬৭ নম্বর খতিয়ানের ৪৩২৪ ও ৪৩৩৫ দাগ থেকে মোট ৩০ শতক জমি আলাল হোসেনের কাছে বিক্রয় করে দখল হস্তান্তর করেন। এরপর থেকে আলাল হোসেন উক্ত জমিতে নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছেন।
পড়ুন>>মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগদানে কোনো ঝুঁকি দেখছে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
অভিযোগ উঠেছে, গত ২৫ আগস্ট দিবাগত রাতে অনাথ চন্দ্র রায় ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আলাল হোসেনের ধানখেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করেন। পরদিন সকালে স্থানীয়দের খবরে ভুক্তভোগী জমিতে গিয়ে দেখতে পান, রোপণকৃত ধানগাছগুলো শুকিয়ে লালচে হয়ে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, গত প্রায় দুই বছর ধরে আলাল হোসেন ধান, গম বা ভুট্টা চাষ করলেই অনাথ চন্দ্র ও তার লোকজন তা নষ্ট করে দিচ্ছেন। চলতি মৌসুমেই পরপর দুইবার আগাছা নাশক প্রয়োগ করে ধান ক্ষেত নষ্ট করা হলো।
ভুক্তভোগী আলাল হোসেন বলেন, “অনাথ চন্দ্র রায় ও তার লোকজন প্রতি মৌসুমেই আমার ফসলি জমি নষ্ট করছে। এবারও পুরো ধান ক্ষেত মেরে ফেলেছে। বিষ প্রয়োগের ছবি ও ভিডিও ফুটেজ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচার দাবি করছি।”
পড়ুন>>তালা ভেঙে বিদ্যালয়ের ফ্যান ও সিসি ক্যামেরা চুরি
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অনাথ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে গিয়ে মূল ফটকে তালা ঝুলতে দেখা যাওয়ায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাজমুল আলম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




















