ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে দাউদ খান

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান। ছবি: নেট

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে দাউদ খান

 

 

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে দাউদ খান ও তার সহযোগী বাইক চালক আলমগীর হোসেন। আসামের গুয়াহাটিতে তাদের অবস্থানের দাবি আল-জাজিরার সাংবাদিক সায়ের।

 

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনায় জড়িত শ্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ও তার সহযোগী বাইকচালক আলমগীর হোসেন সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের বর্তমান অবস্থান ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে—এমন তথ্য জানিয়েছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক সায়ের।

 

 

 

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে সাংবাদিক সায়ের এ দাবি করেন। তিনি জানান, হামলার পর শুক্রবার রাতে ট্রেনে করে হামলাকারী ও বাইকচালক সিলেটে যায় এবং পরে রাতের অন্ধকারে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সহযোগিতায় সীমান্ত পাড়ি দেয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তারা ১২ ডিসেম্বর রাতে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করে এবং বর্তমানে গুয়াহাটিতে অবস্থান করছে।

পড়ুন>>চিকিৎসকদের ভারত থেকে হুমকি

 

পোস্টে আরও বলা হয়, ভারতে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে সহায়তা করছেন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব। তার তত্ত্বাবধানেই হত্যাচেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিরা ভারতে অবস্থান করছে—এমন অভিযোগ করা হয়েছে।

 

 

হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সাংবাদিক সায়ের দাবি করেন, নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে—এটি ছিল অত্যন্ত পরিকল্পিত আক্রমণ। একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির লক্ষ্যে আরও কয়েকটি ‘হিট টিম’ সক্রিয় থাকার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

 

এছাড়া সায়েরের পোস্টে বলা হয়, মূল শ্যুটার ফয়সাল তার ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন—ব্যবহৃত অস্ত্রটি জ্যাম হয়ে যাওয়ায় তিনি মাত্র একটি গুলি করতে পেরেছিলেন। পরিকল্পনা ছিল চারটি গুলি করার।

 

 

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ফয়সালের মতোই আরেক অস্ত্রধারী ক্যাডার হিসেবে চট্টগ্রাম নগর যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাজ্জাদের নাম উঠে এসেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রামের মুরাদপুরে ফয়সাল আহমেদ শান্ত হত্যার মামলায় তাকে গত ১৩ মে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ২৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে তিনি কারামুক্ত হন।

পড়ুন>> ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব

 

সাংবাদিক সায়ের তার পোস্টে বলেন, অনতিবিলম্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের যেসব অস্ত্রধারী ক্যাডার বিভিন্ন মামলায় জামিনে মুক্ত রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বর্তমান অবস্থান ও কর্মকাণ্ড যাচাই করা জরুরি।

 

 

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনায় জড়িত শ্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ও তার সহযোগী বাইকচালক আলমগীর হোসেন সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের বর্তমান অবস্থান ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে—এমন তথ্য জানিয়েছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক সায়ের।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে দাউদ খান

আপডেট সময় : ১১:২৯:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে দাউদ খান

 

 

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে দাউদ খান ও তার সহযোগী বাইক চালক আলমগীর হোসেন। আসামের গুয়াহাটিতে তাদের অবস্থানের দাবি আল-জাজিরার সাংবাদিক সায়ের।

 

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনায় জড়িত শ্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ও তার সহযোগী বাইকচালক আলমগীর হোসেন সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের বর্তমান অবস্থান ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে—এমন তথ্য জানিয়েছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক সায়ের।

 

 

 

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে সাংবাদিক সায়ের এ দাবি করেন। তিনি জানান, হামলার পর শুক্রবার রাতে ট্রেনে করে হামলাকারী ও বাইকচালক সিলেটে যায় এবং পরে রাতের অন্ধকারে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সহযোগিতায় সীমান্ত পাড়ি দেয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তারা ১২ ডিসেম্বর রাতে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করে এবং বর্তমানে গুয়াহাটিতে অবস্থান করছে।

পড়ুন>>চিকিৎসকদের ভারত থেকে হুমকি

 

পোস্টে আরও বলা হয়, ভারতে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে সহায়তা করছেন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব। তার তত্ত্বাবধানেই হত্যাচেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিরা ভারতে অবস্থান করছে—এমন অভিযোগ করা হয়েছে।

 

 

হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সাংবাদিক সায়ের দাবি করেন, নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে—এটি ছিল অত্যন্ত পরিকল্পিত আক্রমণ। একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির লক্ষ্যে আরও কয়েকটি ‘হিট টিম’ সক্রিয় থাকার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

 

এছাড়া সায়েরের পোস্টে বলা হয়, মূল শ্যুটার ফয়সাল তার ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন—ব্যবহৃত অস্ত্রটি জ্যাম হয়ে যাওয়ায় তিনি মাত্র একটি গুলি করতে পেরেছিলেন। পরিকল্পনা ছিল চারটি গুলি করার।

 

 

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ফয়সালের মতোই আরেক অস্ত্রধারী ক্যাডার হিসেবে চট্টগ্রাম নগর যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাজ্জাদের নাম উঠে এসেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রামের মুরাদপুরে ফয়সাল আহমেদ শান্ত হত্যার মামলায় তাকে গত ১৩ মে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ২৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে তিনি কারামুক্ত হন।

পড়ুন>> ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব

 

সাংবাদিক সায়ের তার পোস্টে বলেন, অনতিবিলম্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের যেসব অস্ত্রধারী ক্যাডার বিভিন্ন মামলায় জামিনে মুক্ত রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বর্তমান অবস্থান ও কর্মকাণ্ড যাচাই করা জরুরি।

 

 

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনায় জড়িত শ্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ও তার সহযোগী বাইকচালক আলমগীর হোসেন সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের বর্তমান অবস্থান ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে—এমন তথ্য জানিয়েছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক সায়ের।

 

 

 

Facebook Comments Box