তেল কিনতে সীমা বেঁধে দিল সরকার, বাইকে ২ লিটার; কারে ১০ লিটার!
- আপডেট সময় : ১১:০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ১৯৯৩১ বার পড়া হয়েছে
তেল কিনতে সীমা বেঁধে দিল সরকার, বাইকে ২ লিটার; কারে ১০ লিটার!
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশেও।
জেনে নিন সাহরী, ইফতার ও নামাজের সময়সুচী
- ফজর
- যোহর
- আছর
- মাগরিব
- এশা
- সূর্যোদয়
- ভোর ৪:৩২
- দুপুর ১১:৫৬
- বিকেল ৪:১৭
- সন্ধ্যা ৬:০৩
- রাত ৭:১৬
- ভোর ৫:৪৬
- আল্লাহ্ সর্ব শক্তিমান।
এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত চাহিদা ও মজুত ঠেকাতে ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তারা কতটুকু তেল কিনতে পারবেন তার নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার।
শুক্রবার (৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

বিপিসি জানায়, এখন থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং প্রাইভেটকার সর্বোচ্চ ১০ লিটার পেট্রোল বা অকটেন কিনতে পারবে। এছাড়া অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পড়ুন>>জাদুকাটা নদীর ওপর সেতু নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা, ভোগান্তিতে পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোটরসাইকেল- সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেটকার- সর্বোচ্চ ১০ লিটার, জিপ/মাইক্রোবাস- ২০–২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাস (ডিজেল)- ৭০–৮০ লিটার, দূরপাল্লার ট্রাক/বাস (ডিজেল)- সর্বোচ্চ ২০০–২২০ লিটার।
বিপিসি বলছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে আমদানি কার্যক্রম কখনো কখনো বিলম্বিত হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভোক্তা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে ডিলাররাও অতিরিক্ত তেল উত্তোলনের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সংগ্রহে কিছু বাধ্যতামূলক নতুন কিছু শর্তও নির্ধারণ করা হয়েছে। তেল কেনার সময় তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ দিতে হবে। পুর্বের ক্রেতা পরবর্তীবার তেল নিতে গেলে আগের ক্রয় রশিদের মূল কপি জমা দিতে হবে। ডিলাররা বরাদ্দ অনুযায়ী ক্রয় রশিদ যাচাই করে তেল সরবরাহ করবে।
ফিলিং স্টেশনগুলোকে মজুদ ও বিক্রয়ের তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে জানাতে হবে এবং তেল বিপণন কোম্পানিগুলো বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করতে পারবে না।
পড়ুন>>উলিপুরে গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের ৪ মাসের কারাদণ্ড
বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে নিয়মিতভাবে তেল আমদানি করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন ডিপোতে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে সরবরাহ পাঠানো হচ্ছে। খুব শিগগিরই দেশে পর্যাপ্ত বাফার স্টক গড়ে উঠবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে জ্বালানি তেল বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলেও সতর্ক করেছে বিপিসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























