ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেনের মালাগার সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে চায় বাংলাদেশ বাংলাদেশে কার্যালয় খুলতে জেবিআইসিকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সরকারি বেতন দিতে ব্যাংক থেকে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ আকাশে ড্রোন, মাঠে কে-৯: ঠাকুরগাঁও-১আসন উপ-নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩ হুতিদের শান্ত করতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের ইসরাইলের নির্বাচনে ঝুলে আছে নেতানিয়াহুর ভাগ্য, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল জরুরি চুয়েটে ক্লাস শুরু নিয়ে বিভাগীয় প্রধানদের ভিন্নমত কেপটাউন টেস্টে মিচেল স্টার্কের বোলিং তাণ্ডব: ৩২৯ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা

তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির অফিসে দুই শিক্ষকের মদ পান

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ১২:১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩ ২৮০ বার পড়া হয়েছে

তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির অফিসে দুই শিক্ষকের মদ পান

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির অফিসে দুই শিক্ষকের মদ পান করেন। এতে সহযোগিতা করার অপরাধে পাহারাদারকে চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে।

 

তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির অফিস ঘরে দুই প্রাইমারী শিক্ষক মদ পান করার অভিযোগ উঠেছে। মদ পানে সহযোগীতা করায় বাজারের পাহারাদার আকরম আলী (৬০)কে চাকুরী চ্যুত করা হয়েছে।

বণিক সমিতির সদস্য ও ব্যবসায়ী সূত্রে জানাযায়, শনিবার রাত ৮টায় বাজার বণিক সমিতির অফিস ঘরে বসে শাহেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্চয় কুমার দে ও চিকসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোপেশ দাস মদ পান করে।

এমন সময় বাজার বণিক সমিতির সহ সভাপতি আশ্বাব উদ্দিন মদ পান করতে দেখে অফিস ঘরে তালা দেয়।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার গগণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনুরোধে দুই শিক্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়।

এবং এ কাজে সহযোগীতা করার কারনে বাজারের পাহারাদার আকরম আলীকে চাকুরী থেকে বিদায় করা হয়।

এ বিষয়ে তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির সহ সভাপতি আশ্বাব উদ্দিন বলেন, সঞ্জয় মাস্টার ও গোপেশ মাস্টার প্রায়শই বণিক সমিতির অফিস ঘরে বসে মদ পান করার অভিযোগ এসেছে। কিন্তু হাতেনাতে ধরতে পারিনি।

গতকাল শনিবার এশার নামাজ পরে আসার সময় তাদের মদ পান করা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাদের মদ পান করা অবস্থায় তালাবদ্ধ করি। পরে এলাকার গণ্যমান্য লোকদের অনুরোধ ছেড়ে দেয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে শাহেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্চয় কুমার দে বলেন, আমারা বণিক সমিতির অফিসে গেলে পাহারাদার আকরম আলী আমাদের কাছে পঞ্চাশ টাকা চায়। আমি থাকে পঞ্চাশ টাকা দেই।

সে পঞ্চাশ টাকা নিয়ে চলে যায়। তখন অফিস ঘরে আমি ও গোপেশ মাস্টার বসে গল্প করি। কিছু সময় পরেই কে যেন উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আমাদের ভিতরে রেখে তালা দেয়।

মদ পানের বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমরা মদ পান করিনি। আমাদের মানহানি উদ্দেশ্যে অপপ্রচার মাত্র।

তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আবিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের মদ পানের বিষয়টি খুবই দঃজনক।

দুই জনেই শিক্ষক সম্মানী মানুষ, তাদের সম্মানের কথা ভেবে ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কথা রাখতে তাদের ছেড়ে দেই।

তবে দুই মাস্টারের মদ পানে সহযোগীতা করার অভিযোগে বাজারের পাহারাদার আকরম আলীকে রাতেই বিদায় করে দেই।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ওসি সৈয়দ ইফতেখার হোসেন এর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির অফিসে দুই শিক্ষকের মদ পান

আপডেট সময় : ১২:১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির অফিসে দুই শিক্ষকের মদ পান করেন। এতে সহযোগিতা করার অপরাধে পাহারাদারকে চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে।

 

তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির অফিস ঘরে দুই প্রাইমারী শিক্ষক মদ পান করার অভিযোগ উঠেছে। মদ পানে সহযোগীতা করায় বাজারের পাহারাদার আকরম আলী (৬০)কে চাকুরী চ্যুত করা হয়েছে।

বণিক সমিতির সদস্য ও ব্যবসায়ী সূত্রে জানাযায়, শনিবার রাত ৮টায় বাজার বণিক সমিতির অফিস ঘরে বসে শাহেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্চয় কুমার দে ও চিকসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোপেশ দাস মদ পান করে।

এমন সময় বাজার বণিক সমিতির সহ সভাপতি আশ্বাব উদ্দিন মদ পান করতে দেখে অফিস ঘরে তালা দেয়।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার গগণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনুরোধে দুই শিক্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়।

এবং এ কাজে সহযোগীতা করার কারনে বাজারের পাহারাদার আকরম আলীকে চাকুরী থেকে বিদায় করা হয়।

এ বিষয়ে তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির সহ সভাপতি আশ্বাব উদ্দিন বলেন, সঞ্জয় মাস্টার ও গোপেশ মাস্টার প্রায়শই বণিক সমিতির অফিস ঘরে বসে মদ পান করার অভিযোগ এসেছে। কিন্তু হাতেনাতে ধরতে পারিনি।

গতকাল শনিবার এশার নামাজ পরে আসার সময় তাদের মদ পান করা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাদের মদ পান করা অবস্থায় তালাবদ্ধ করি। পরে এলাকার গণ্যমান্য লোকদের অনুরোধ ছেড়ে দেয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে শাহেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্চয় কুমার দে বলেন, আমারা বণিক সমিতির অফিসে গেলে পাহারাদার আকরম আলী আমাদের কাছে পঞ্চাশ টাকা চায়। আমি থাকে পঞ্চাশ টাকা দেই।

সে পঞ্চাশ টাকা নিয়ে চলে যায়। তখন অফিস ঘরে আমি ও গোপেশ মাস্টার বসে গল্প করি। কিছু সময় পরেই কে যেন উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আমাদের ভিতরে রেখে তালা দেয়।

মদ পানের বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমরা মদ পান করিনি। আমাদের মানহানি উদ্দেশ্যে অপপ্রচার মাত্র।

তাহিরপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আবিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের মদ পানের বিষয়টি খুবই দঃজনক।

দুই জনেই শিক্ষক সম্মানী মানুষ, তাদের সম্মানের কথা ভেবে ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কথা রাখতে তাদের ছেড়ে দেই।

তবে দুই মাস্টারের মদ পানে সহযোগীতা করার অভিযোগে বাজারের পাহারাদার আকরম আলীকে রাতেই বিদায় করে দেই।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ওসি সৈয়দ ইফতেখার হোসেন এর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

Facebook Comments Box