সুন্দরগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদারের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৯:২৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের তহশিলদারের (ইউনিয়ন ভুমি সহকারি) বিরুদ্ধে ঘুষ না দেয়ায় মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগি মো. আমিনুল ইসলাম।
অভিযোগে জানা গেছে,উপজেলার সোনারায় ইউনিযনের চন্দ্র গ্রামের আমিনুল ইসলাম মা এবং মামার নিকট থেকে জমি ক্রয় করে ২০২২ সালে ১৪৮২৬ নং কবলা দলিল মূলে ৮.৬১ শতাংশ আমার মা মোছা: আমেনা বেগম,পৈত্রিক ও বিআরএস রেকর্ডসূত্র প্রাপ্ত হয়ে,গত ১১/০৯/২০২৪খ্রি:৫৯৯০ নং দলিল মূলে ২ শতাংশ জমিসহ একুনে মোট ১০.৬১ শতক আমার নিকট জমি হস্তান্তর করেন।উক্ত জমিতে আমি বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছি।
এরই এক পর্যায় প্রতিবশি মো. গোলাম আযম, আমিনুল ইসলামের ক্রয়কৃত জমির দুই শতক জমি জবর দখল করে নেন।এনিয়ে আমিনুল ইসলাম ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আদালতে জমি পুনঃরুদ্ধারের মামলা করেন। মামলা তদন্তের জন্য বিচারক সহকারি কমিশনার ভুমিকে দায়িত্ব দেন। সহকারি কমিশনার ভুমির নির্দেশে উপজেলা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. আরিফুর রহমান ও সোনারায় ইউনিয়নের তহশিলদার প্রভঞ্জন কুমার রায় তদন্ত করেন।
পড়ুন>>দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি
গত ১৪/০৪/২০২৬খ্রি:উক্ত মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব্যে পেয়ে,তশিলদার ও সার্ভেয়ার সরজমিনে তদন্ত করে আমিনুল ইসলাম কে বলেন আপনার জমির সত্যতা আছে,তবে আমাকে প্রতিবেদন তৈরি করার পূর্বে ৪০,০০০/-টাকা দিতে হবে,না হলে আপনার পক্ষে প্রতিবেদন দিতে পারবো না।
পরবর্তীতে তহশিলদার আমিনুল ইসলামকে ওই দুই শতক জমি গোলাম আযমের নিকট বিক্রির প্রস্তার দেন। এতে আমিনুল ইসলাম রাজি না হওয়ায় এবং উৎকোচ দিতে অস্বীকার করায় তফশিল বর্ণিত জমির দলিল খাজনা খারিজ ডিসিআর হাল সন পযর্ন্ত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ এবং উক্ত জমিতে ঘর বসতবাড়ী থাকা স্বর্তেও আমিনুল ইসলামকে নিঃস্বত্ত্ববান দেখিয়ে সময় কালক্ষেপণ করে গত ০১/০৭/২০২৬খ্রি: বিজ্ঞ মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে।
পড়ুন>>দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি
আমিনুল প্রতিকার চেয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক বরাবর তশিলদার প্রভঞ্জন কুমার রায় এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।তবে অভিযোগের বিষয়ে সোনারায় ইউনিয়নের তহশিলদার প্রভঞ্জন কুমার রায় মিথ্যা দাবি করে বলেন, কাগজপত্রের আলোকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।উপজেলা নিবার্হী ঈফফাত জাহান তুলি বলেন,এ সংক্রান্ত একটি পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


















