জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সের গোল টেবিল আলোচনা
- আপডেট সময় : ০২:০৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সের গোল টেবিল আলোচনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সের গোল টেবিল আলোচনা।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাথে বিভিন্ন ধরণের শিক্ষা সহযোগিতা ও ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং, পাবলিক হেলথ এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তির নানাবিধ ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর পূর্বক ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স একটি গোল টেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ নভেম্বর বুধবার হাউস অব কমন্সে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মুল উদ্যোক্তা বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের মেয়র এন্ডি বারনহাম, ওল্ডহ্যামের এমপি জিম ম্যাকমেহোন ও ওল্ডহ্যাম কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি নূরানী রোপমা, মি. মুবিন খান, ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাউথ এশিয়ার ডাইরেক্টর ডেভিড নকস, স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির ডিন ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ভিকি, ব্রিটিশ কারিগরি শিক্ষা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক পল ও ব্রিটিশ শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার অধিদপ্তরের মি. জনাতন, মিস লুচি সহ ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।
হাউস অব কমন্সে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, উচ্চ শিক্ষায় বাংলাদেশের ৭০% নিয়ন্ত্রণ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর ভাগ্যোন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা, এআই প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডিজিটাল শিক্ষা অর্জনের কোন বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থার সাথে কারিগরি ও এআই শিক্ষা সহযোগিতা তৈরীর জন্য সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ব্রিটিশ হাউস অব কমন্স এর এই আলোচনা সভার সূচনা বক্তব্যে ব্রিটিশ এমপি জিম ম্যাকমেহোন বলেন, বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ছাড়া কোন উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষার মান উন্নত করতে যা যা করা দরকার তা তিনি করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান সংস্কার কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে গ্রেটার ম্যানচেস্টার বাংলাদেশ পার্টনারশিপের চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার বলেন, আধুনিক কারিগরি ও ডিজিটাল শিক্ষাই বাংলাদেশের জন্য এক আলোকিত ভবিষ্যৎ রচনা করতে পারে। স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল এনগেজমেন্ট এর পক্ষে অধ্যাপক নিক বিচ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কাজ করতে আগ্রহী স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটি।
স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির ডাটা সায়েন্সের অধ্যাপক ড. মো সারে বলেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে সবরকম সহযোগিতা প্রদান করতে আমরা প্রস্তুত। বক্তারা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সাথে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের কাজে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রিটিশ এমপি জিম ম্যাকমেহোন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনবলে রূপান্তর করতে কারিকুলাম পরিবর্তনসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নেয়া পদক্ষেপগুলোর প্রশংসা করেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স এর সদস্য এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরা।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























