ইসরায়েলি নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিতে ট্রাম্পের অনীহা
- আপডেট সময় : ০৫:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাধারণ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সরাসরি কোনো সমর্থনের ঘোষণা দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তাদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্রতা রয়েছে, কিন্তু নির্বাচনের আগে তাকে প্রকাশ্যে সমর্থন করা থেকে বিরত থাকলেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর টাইম সাময়িকীকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহুর পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হওয়া উচিত কি না, এমন সরাসরি প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এড়িয়ে গিয়ে বলেন, তার মূল লক্ষ্য হলো ইসরায়েলকে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষায় সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করা। একই সাথে তিনি ইসরায়েলি জনগণের কাছে নিজের জনপ্রিয়তার বিষয়টিও আলোচনায় তুলে ধরেন। ইসরায়েলি বিরোধী দলীয় নেতা ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের সঙ্গে ভবিষ্যতে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, আইজেনকোট সম্পর্কে তিনি নেতিবাচক কিছু শোনেননি। তবে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে তিনি বলেন, অতীতে অনেকেই নেতানিয়াহুর বিদায় দেখে ফেললেও তিনি বারবার ফিরে এসেছেন, তাই তাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তবে নেতানিয়াহুকে অবমূল্যায়ন না করার কথাও বলেন তিনি।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার বিষয়ে নেতানিয়াহু আগে থেকে কোনো সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন কি না, এমন বিতর্কিত দাবির বিষয়েও ট্রাম্প কথা বলেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, এই দাবির সঙ্গে তিনি একমত নন। তার ভাষ্য, নেতানিয়াহু হামলার আগাম তথ্য জানলে অবশ্যই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন। এছাড়া সম্প্রতি ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলার বিষয়েও বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতের প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ৪ থেকে ৮ সপ্তাহের অভিযানের লক্ষ্য ছিল। পরবর্তীতে ইরানের সামরিক শক্তি ও পারমাণবিক অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংসের লক্ষ্যে অভিযানের পরিধি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প; তার দাবি, ইরান সাময়িকভাবে জলপথটি অবরুদ্ধ করতে পারলেও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই এর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। এছাড়া যুদ্ধবিরতির জন্য ইরানের পক্ষ থেকে আসা প্রস্তাব তিনি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বলে জানান। তার দাবি, ইরান কিছু সময়ের জন্য জলপথটি বন্ধ রাখতে সক্ষম হলেও পরে যুক্তরাষ্ট্র এর নিয়ন্ত্রণ নেয়।
সূত্র: দৈনিক এইদিন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ





















