নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে মুসল্লিগণ শিশুটির কান্না শুনতে পায়। শিশুর কান্না শুনে শয়ন কক্ষে গিয়ে মুসুল্লীরা ঝুলন্ত লাশ জড়িয়ে শিশুটিকে কাঁদতে দেখেন।
নিহতের গৃহ বধুর নাম মনি আক্তার (২১)। সে উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের রঞ্জু মিয়া ওরফে টসসুর স্ত্রী।
এ ঘটনার পর নিহতের স্বামী ও তার শ্বশুর শামসুল ইসলাম গা ঢাকা দিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, তাদের স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সকালে ঝগড়া হয়। দুপুরে পরিবারের লোকজন ধানের বীজ বপনের কাজে দোলা যায়।
এ সুযোগে ওই গৃহবধূ শয়ন ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। এ সময় তার আড়াই বছরের ছেলে মমিন কান্না করতে থাকে। জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে মুসল্লিগণ শিশুটির কান্না শুনতে পায়। একজন মুসল্লি বাড়ির ভেতরে ঢুকে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ দেখে চিৎকার দেয়। তার চিৎকারে রাস্তার গমনরত মুসুল্লীরা ঝুলন্ত লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেন।
কিশোরগঞ্জ থানার ওসি রাজীব কুমার রায় জানান, এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর বাবা মোকলেছার রহমান ইউডি মামলা করেছেন। প্রতিবেশীর কাছে নিহতের লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে তিনি কাউকে দায়ী করেননি।
Leave a Reply