ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মোদির বাসভবনের পাশের ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মোদির বাসভবনের পাশের ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের

 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থিত একটি বস্তি খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট।

 

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বস্তিতে বসবাসরত প্রায় ৭০০ পরিবারকে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে জায়গাটি ছেড়ে দিতে হবে। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষার খাতিরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পুনর্বাসন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সাবেক দিল্লি জেলা জজ মন মোহন শর্মার নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি আগামী ছয় মাস পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করবে।

 

পড়ুন>>বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত

 

এছাড়া, বস্তিবাসীদের মালামাল স্থানান্তরের জন্য দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডকে প্রয়োজনীয় পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

উচ্ছেদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বস্তিবাসীরা জানিয়েছেন, তাদের বর্তমান আবাসস্থল থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে সাভদা ঘেভরায় স্থানান্তর করা হলে তারা জীবিকা হারাবেন। বর্তমানে তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি এলাকায় বিভিন্ন শ্রমনির্ভর কাজ করে সংসার চালান। এছাড়া সাভদা ঘেভরায় স্কুলসহ প্রয়োজনীয় মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেছেন।

সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা এবং কেন্দ্রের স্থায়ী আইনজীবী আশীষ দীক্ষিত আদালতকে জানিয়েছেন, পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর যাতায়াত সুবিধার জন্য প্রত্যেককে এক বছরের জন্য একটি করে বিনামূল্যের মেট্রো কার্ড দেওয়া হবে। প্রয়োজনে এই সুবিধা তিন বছর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

পড়ুন>>ফটিকছড়িতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ডেভিড ইমনের সহযোগী মোবারক

পাশাপাশি, প্রতিটি পরিবারের একজন সদস্যকে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুযোগও দেওয়া হবে। সরকারের দাবি, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশে এই ধরনের অনুমোদনহীন বসতি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মোদির বাসভবনের পাশের ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মোদির বাসভবনের পাশের ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ হাইকোর্টের

 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থিত একটি বস্তি খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট।

 

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বস্তিতে বসবাসরত প্রায় ৭০০ পরিবারকে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে জায়গাটি ছেড়ে দিতে হবে। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষার খাতিরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পুনর্বাসন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সাবেক দিল্লি জেলা জজ মন মোহন শর্মার নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি আগামী ছয় মাস পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করবে।

 

পড়ুন>>বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত

 

এছাড়া, বস্তিবাসীদের মালামাল স্থানান্তরের জন্য দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডকে প্রয়োজনীয় পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

উচ্ছেদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বস্তিবাসীরা জানিয়েছেন, তাদের বর্তমান আবাসস্থল থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে সাভদা ঘেভরায় স্থানান্তর করা হলে তারা জীবিকা হারাবেন। বর্তমানে তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি এলাকায় বিভিন্ন শ্রমনির্ভর কাজ করে সংসার চালান। এছাড়া সাভদা ঘেভরায় স্কুলসহ প্রয়োজনীয় মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেছেন।

সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা এবং কেন্দ্রের স্থায়ী আইনজীবী আশীষ দীক্ষিত আদালতকে জানিয়েছেন, পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর যাতায়াত সুবিধার জন্য প্রত্যেককে এক বছরের জন্য একটি করে বিনামূল্যের মেট্রো কার্ড দেওয়া হবে। প্রয়োজনে এই সুবিধা তিন বছর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

পড়ুন>>ফটিকছড়িতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ডেভিড ইমনের সহযোগী মোবারক

পাশাপাশি, প্রতিটি পরিবারের একজন সদস্যকে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুযোগও দেওয়া হবে। সরকারের দাবি, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশে এই ধরনের অনুমোদনহীন বসতি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

 

 

Facebook Comments Box