রাষ্ট্রপতি স্পষ্ট করেন যে, এখন থেকে তিনি কোনো দলের নন, বরং একজন নিরপেক্ষ মানুষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর কোনো রাগ-অনুরাগ থাকবে না এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থই হবে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। যেকোনো পরিস্থিতিতে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের প্রতি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্য বজায় রাখতে হবে। বঙ্গভবন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক, তাই এর মর্যাদা রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব। তিনি দৈনন্দিন কার্যক্রম ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের গোপনীয়তা কঠোরভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, জনগণের অর্থে পরিচালিত এসব সুযোগ-সুবিধার অপচয় রোধ করতে হবে। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত জীবনে শৃঙ্খলা মেনে চলার পাশাপাশি নৈতিক মনোবল ও সুন্দর চরিত্র গঠনে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।
মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে একটি পরিবার। সবাই মিলে কাজ করলে যেকোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।’ তিনি যুদ্ধপরবর্তী রাষ্ট্রগঠনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান এবং পূর্ববর্তী সকল রাষ্ট্রপতির ভূমিকার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। ভবিষ্যতে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।
Leave a Reply