রাধানগর সানসেট পয়েন্টে পর্যটকদের ভোগান্তি ও খাবারের চড়া দাম
  1. admin@sristy.net : admin :
রাধানগর সানসেট পয়েন্টে পর্যটকদের ভোগান্তি ও খাবারের চড়া দাম
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাণীশংকৈলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপন বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে নীলফামারী বৌদ্ধ বিহারে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি পালিত রাণীশংকৈলে নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোটে কামাল-কাজলের জয় সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি, আবাসিক মিটারে ১১ বছর ধরে চলছে বাণিজ্যিক ডিস ও ইন্টারনেটের সার্ভার জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা জানাল কাতার শ্রীপুরে ফার্মেসি ব্যবসায়ীর ওপর নিরাপত্তা ঘটনায় ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি যুবদল নেতা দুবাইয়ে বিপুল সম্পদ: ৭৩ বাংলাদেশির আর্থিক তথ্য পেতে মরিয়া দুদক ফেনীতে বাস-কাভার্ডভ্যান ও লরির ত্রিমুখী সংঘর্ষে ঝরল তিন প্রাণ সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো আগ্রহ নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী

সরিষাবাড়ীর রাধানগর সানসেট পয়েন্টে পর্যটকদের ভোগান্তি, খাবারের চড়া দাম

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নে যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত রাধানগর সানসেট পয়েন্ট এখন স্থানীয় ও দূরদূরান্তের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এখানে নদীর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সূর্যাস্ত দেখতে ভিড় করেন। তবে দর্শনার্থীদের অভিযোগ, আকর্ষণীয় ক্যাটালগ দেখিয়ে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের কারণে এই দৃষ্টিনন্দন স্থানে এসে তাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, সানসেট পয়েন্টের কয়েকটি ফাস্টফুডের দোকানে কম্পিউটারে তৈরি আকর্ষণীয় খাবারের ছবি দেখিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্ডার নেওয়া হয়। কিন্তু খাবার পরিবেশনের সময় দেওয়া হয় অত্যন্ত নিম্নমানের খাবার, যার বিপরীতে নেওয়া হয় চড়া মূল্য। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পর্যটকদের ভিড় বাড়লে খাবারের মান আরও খারাপ হয়ে যায়। এ নিয়ে ক্রেতারা প্রতিবাদ করলে বিক্রেতারা উল্টো দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এখানে বেড়াতে আসা জাহাঙ্গীর আলম, শাহীন আলম সরকার, লাকী আক্তার ও স্বপন আকন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তারা পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে ক্যাটালগ দেখে খাবারের অর্ডার দিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবেশন করা খাবারের সঙ্গে ক্যাটালগের ছবির কোনো মিল ছিল না। খাবারের মান অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়া সত্ত্বেও তাদের কাছ থেকে অনেক বেশি দাম রাখা হয়েছে।

সানজিদা ছোলাইমান আওকী ও সাদিয়া ছোলাইমান রেইকী নামের দুই শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ক্যাটালগে দারুণ সব জুসের ছবি দেখিয়ে যে পানীয় দেওয়া হয়েছে, তাতে লেবুর ন্যূনতম স্বাদও ছিল না। সাধারণ মানের এই পানীয়তে কেবল বরফ আর বিট লবণ মিশিয়ে পরিবেশন করা হলেও দাম নেওয়া হয়েছে অনেক বেশি।

এছাড়া মমিনুল ইসলাম শান্ত, আনিছুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন ও আবুল হোসেন নামের কয়েকজন ওষুধ ব্যবসায়ী জানান, এখানকার ফুচকা, চটপটিসহ অন্যান্য ফাস্টফুড অত্যন্ত স্বাদহীন ও নিম্নমানের। এসব বিষয়ে বিক্রেতাদের কাছে অভিযোগ জানালে তারা কোনো পাত্তাই দিতে চান না, বরং ক্রেতাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরিস্থিতি আরও বিব্রতকর হওয়া এড়াতে অনেকেই মুখ বুজে সহ্য করে চলে যান।

দর্শনার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছেন যে, যমুনা নদীতে কোনো প্রকার প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই বিপজ্জনকভাবে ভাসমান রেস্টুরেন্ট চালানো হচ্ছে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় এখানে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। পর্যটন সম্ভাবনাময় এই স্পটটির সুনাম ধরে রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাবারের মান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারির জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে জানতে সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!